বাংলাদেশ থেকে এখন অনেক শিক্ষার্থীরাই দেশেই বাইরে গিয়ে পড়াশোনা করেন। ভিসার জটিলতা কম থাকায় অনেকেই যুক্তরাজ্যে যান। আর দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বৃত্তি দেয়। প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের জন্য স্বপ্ন পূরণের সুযোগ এসেছে। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব স্যালফোর্ড তাদের মর্যাদাপূর্ণ ‘ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স স্কলারশিপ-২০২৬’ ঘোষণা করেছে। বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আগ্রহী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ করে যাঁরা স্যালফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য এটি একটি অসাধারণ সুযোগ।
যুক্তরাজ্যের গ্রেটার ম্যানচেস্টারে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৯৬ সালে রয়্যাল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট হিসেবে শুরু হয় এবং ১৯৬৭ সালে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে মর্যাদা পায়। এর অবস্থান, আধুনিক গবেষণা সুবিধা এবং শিল্প-প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংযোগ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত।
স্কলারশিপের বৈশিষ্ট্য
এই বৃত্তি দীর্ঘ বিরতির পর পুনরায় চালু হয়েছে; শেষবার এটি ২০১৯ সালে দেয়া হয়।
আবেদনের জন্য প্রার্থীর অবশ্যই স্যালফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার থাকতে হবে।
ভৌগোলিক অগ্রাধিকার: যেখানে উচ্চশিক্ষার বৃত্তি সীমিত, সেই অঞ্চল থেকে আগত শিক্ষার্থীদের বিশেষ গুরুত্ব দেসয়া হবে।
সুবিধা
আংশিক অর্থায়িত বৃত্তি, যা টিউশন ফি থেকে বড় ছাড় প্রদান করে।
স্নাতক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় ৩,৫০০ পাউন্ড, স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য ৩,০০০ পাউন্ড পর্যন্ত সহায়তা।
বৃত্তির পরিমাণ প্রার্থীর যোগ্যতা, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের দক্ষতা অনুসারে নির্ধারিত হবে।
যোগ্যতা
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে।
স্নাতক পর্যায়ে যারা সরাসরি দ্বিতীয় বা তৃতীয় বর্ষে ভর্তি হয়েছেন, তাঁরা আবেদন করতে পারবেন।
বাস্তবমুখী পেশাদার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এটি কর্মক্ষেত্র বা সৃজনশীল প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত হতে পারে।
অধ্যয়নের ক্ষেত্রসমূহ
প্রযুক্তি ও প্রকৌশল: সিভিল, মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল, স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
সৃজনশীল শিক্ষা: জার্নালিজম, ডিজিটাল ভিডিও প্রোডাকশন, ফিল্ম প্রোডাকশন, অ্যানিমেশন, ফ্যাশন ডিজাইন।
ব্যবসায় শিক্ষা: ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, এমবিএ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট।
Leave a Reply