শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই মজুরি বুঝিয়ে দিন, ইসলামের কঠোর নির্দেশ সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর অধ্যাপক আসাদুজ্জামান খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ মিশিগানে বামের বাংলাদেশ–আমেরিকান ফেস্টিভ্যালে শেকড়ের টানে প্রবাসীদের মিলনমেলা বাংলাদেশের সুন্দরবনে ১০ বছরে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে ১৯টি জাপানে ভূমিকম্পে ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু এবার ফ্রান্সের নতুন কোচ জিদান

চাকরির বাজারে বিপর্যয়ের পরই ওয়াল স্ট্রিটে বড় পতন, তেলের দাম ফের সর্বোচ্চ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৩০ বার

ইরানে আগ্রাসনকে ঘিরে চলমান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি ও আর্থিক বাজারে তীব্রভাবে পড়তে শুরু করেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাকরির বাজারের দুর্বল তথ্য প্রকাশের পরই ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে।
শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়োগের তুলনায় চাকরি হারানো মানুষের সংখ্যা বেশি ছিল। অর্থাৎ দেশটির শ্রমবাজারে কমপক্ষে ৯২ হাজার চাকরি কমেছে। এই খবর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক লাফে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ৬৯ ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ। লেনদেনের এক পর্যায়ে এটি ৯৪ ডলারও ছাপিয়ে যায়।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ক্রুড অয়েলের দামও প্রথমবারের মতো ৯০ ডলার ছাড়িয়ে ৯০ দশমিক ৯০ ডলারে উঠে যায়, যা ১২ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
বিশ্লেষকদের মতে, দুর্বল অর্থনীতি এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির এই যুগপৎ পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদের জন্য সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিগুলোর একটি। অর্থনীতিবিদরা এই অবস্থাকে ‘স্ট্যাগফ্লেশন’ বলে অভিহিত করেন, যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি স্থবির থাকে কিন্তু মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে থাকে।
এই পরিস্থিতির প্রভাব সরাসরি পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে গেছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ এক পর্যায়ে ৯৪৫ পয়েন্ট পর্যন্ত পড়ে গিয়ে শেষ পর্যন্ত ৪৫৩ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ কমে বন্ধ হয়। প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাক কম্পোজিট সূচকও ১ দশমিক ৬ শতাংশ হারায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম বাড়ার পেছনে বড় কারণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ধীরে ধীরে এমন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে, যেগুলো বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস উৎপাদন এবং পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
বিশ্ববাজারে বিশেষ উদ্বেগ তৈরি করেছে ইরানের উপকূলের কাছে অবস্থিত হরমুজ প্রণালি। সাধারণত বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যদি এই পথ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য গুরুতর ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারে পৌঁছে দীর্ঘ সময় সেখানে স্থির থাকে, তাহলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories