শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার : শামা ওবায়েদ ভোট ব্যাংক’ মিথ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের পূর্ণ স্বাধীনতা ও মিডিয়ার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির আগমনে ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবের আমেজ সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে : শফিকুর রহমান ভ্রমণ ভিসায় গিয়ে কী কী করা যাবে না জানাল যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: হুমায়ুন কবির সিলেট নির্বাচন কর্মকর্তার হাতে পর্তুগাল প্রবাসী লাঞ্ছিতের অভিযোগ, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের নিন্দা কক্সবাজারে দুই হাজার আইফোনসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার বৈধ পারমিট, কাজ অন্য কোম্পানিতে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ১৭৫ অভিবাসী আটক

সাত ‌মৃত ভোটারের সঙ্গে চা খেলেন রাহুল গান্ধী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৭২ বার

বিহারের রাঘোপুর থেকে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ—জীবিত মানুষকে ‘মৃত’ দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বুধবার দিল্লিতে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এই তালিকাভুক্ত ‘মৃত’ সাত ভোটারের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের সঙ্গে চা পান করেন।
রাহুল গান্ধী এক্স-এ (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, আমার জীবনে বহু অভিজ্ঞতা হয়েছে… কিন্তু ‘মৃত’ মানুষের সঙ্গে চা খাওয়ার অভিজ্ঞতা এই প্রথম। এই অনন্য অভিজ্ঞতার জন্য ধন্যবাদ নির্বাচন কমিশনকে!
চার মিনিটের এক ভিডিওতেও দেখা যায়, কীভাবে এই ‘মৃত’ ভোটাররা নিজেরা জীবিত থাকার প্রমাণ দিচ্ছেন। তাঁদের একজন বলেন, ভোটার তালিকার ‘স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন’-এর খসড়া প্রকাশের পরই জানতে পারেন তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্য এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তাঁর পঞ্চায়েতে অন্তত ৫০ জন জীবিত মানুষের নাম ‘মৃত’ বলে কেটে দেওয়া হয়েছে।
এই সাতজন হলেন রামিকবাল রায়, হরেন্দ্র রায়, লালমুনি দেবী, বাচিয়া দেবী, লালওয়াতি দেবী, পুনম কুমারী ও মুন্না কুমার; সকলেই রাঘোপুরের বাসিন্দা। তাদের অভিযোগ, রি-ভেরিফিকেশনের জন্য কাগজপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। কংগ্রেসের দাবি, এটি কোনও সাধারণ ভুল নয়, বরং সরাসরি রাজনৈতিকভাবে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা।
রাহুল গান্ধী তাঁদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, ভোট চুরি হতে দেব না।” আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচন ও সুপ্রিম কোর্টে এই বিষয়ক মামলাকে কেন্দ্র করে বিরোধী জোট এই স্লোগানকে মূল অস্ত্র বানিয়েছে। এই মামলার রায় আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু ও অসমের নির্বাচন, এবং ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে বড় আইনি নজির তৈরি করতে পারে।
নির্বাচন কমিশন অবশ্য সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে রাহুল গান্ধীর কাছে তাঁর দাবি প্রমাণের জন্য নথি ও শপথপত্র চেয়েছে। কমিশনের অভিযোগ— কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেছেন, নির্বাচনের আগে হারের অজুহাত খুঁজে রাখছেন। বারবার হেরে যাচ্ছেন, এবারও তাই প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories