শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মারা গেলেন পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত নির্মাতা রতন থিয়াম

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৬৪ বার

ভারতীয় নাট্যজগতের কিংবদন্তি নির্মাতা রতন থিয়াম মারা গেছেন। বুধবার (২৩ জুলাই) ভোরে মৃত্যু হয়েছে তার। মহামারি করোনাভাইরাস পরবর্তী জটিলতার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই লড়াই করছিলেন। এ অবস্থায় মৃত্যু হলো তার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য মণিপুরের ইম্ফলের রিমস হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে নির্মাতা রতনের। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে ইন্ডাস্ট্রিতে।
১৯৭০-এর দশকে শুরু হওযা ভারতীয় থিয়েটারে ‘থিয়েটার অব রুটস’ আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন রতমন। সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে প্রাচীন ভারতীয় থিয়েটারের ঐতিহ্যকে ব্যবহার করে নাটক লিখেছেন তিনি। একইসঙ্গে সেসব মঞ্চস্থ করেছেন। তিনি ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামার চেয়ারপার্সন ছিলেন। আবার সংগীত নাটক অ্যাকাডেমির ভাইস চেয়ারম্যানও ছিলেন।
প্রখ্যাত এ নাট্য নির্মাতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন মণিপুরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী। সোশ্যাল মিডিয়া এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ভারতীয় থিয়েটারের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র ও মণিপুরের সম্মানি ব্যক্তি রতন থিয়ামের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত আমি। আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। তার শিল্প, দৃষ্টিভঙ্গি ও মণিপুরী সংস্কৃতির প্রতি তার অটল নিষ্ঠা কেবল থিয়েটার জগতকেই নয়, মণিপরুকেও সমৃদ্ধ করেছে।
সাবেক এ মুখ্যমন্ত্রী আরও লিখেছেন, রতনের কাজ মণিপুরকে বহন করে, এই রাজ্যের গল্প, সংগ্রাম ও সৌন্দর্যকে প্রতিধ্বনিত করে। তার আত্মা শান্তিতে থাকুক ও তার রেখে যাওয়া কাজ এবং তার অনু্প্রেরণায় অসংখ্য মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকুক সে। তার অপরিসীম অবদানের মাঝে আমরা আমাদের শক্তি খুঁজব।
প্রসঙ্গত, নির্মাতা রতন ‘চক্রব্যূহ’, ‘উত্তর প্রিয়দর্শী’, ‘হে নুংশিবি পৃথিবী’, ‘চিংলো মাপান তাম্পক আমা’র মতো নাটক নির্দেশনা দিয়েছেন। ১৯৮৯ সালে তাকে পদ্মভূষণে সম্মানিত করে ভারত সরকার।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories