শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

পাকিস্তানে প্রাকৃতিক দুর্যোগে শতাধিক শিশুসহ নিহত ২২১

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫
  • ৬৭ বার

পাকিস্তানে বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২১-এ দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৭৭ জন পুরুষ, ৪০ জন মহিলা এবং ১০৪ জন শিশু। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশ, মারা গেছেন ১৩৫ জন মানুষ। মঙ্গলবার (২২ ‍জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে জিও নিউজ।
দেশটির দুর্যোগ মোকাবেলা সংস্থা বলেছে, পাহাড়ি অঞ্চলে নতুন করে মেঘ ভাঙনের ফলে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস এবং বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। আর এ কারণে হতাহত হয়েছে দুই শতাধিক মানুষ। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতজনিত দুর্ঘটনায় দুই পুরুষ এবং তিন শিশু নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টিপাতজনিত দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫৯২ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঞ্জাব সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রদেশ, যেখানে ১৩৫ জন মারা গেছেন এবং আহত হয়েছেন ৪৭০ জন।
প্রতিবেদন বলছে, খাইবার পাখতুনখোয়ায় প্রদেশে প্রাণ গেছে ৪০ জনের এবং আহত হয়েছেন ৬৯ জন। সিন্ধুতে ২২ জন নিহত এবং ৪০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বেলুচিস্তানে ১৬ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, আর আজাদ কাশ্মীরে একজনের মৃত্যু এবং ছয়জন আহত হয়েছেন। এছাড়া গিলগিট-বালতিস্তানে তিনজন আর ইসলামাবাদে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এনডিএমএ রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫টি বাড়ি ধসে পড়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে, ৮০৪টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে এবং ২০০টি গবাদি পশু হারিয়ে গেছে।
সম্পত্তির ক্ষতির দিক থেকে, পাঞ্জাবে ১৬৮টি ও কেপিতে ১৪২টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ধসে পড়েছে ৭৮টি। এছাড়া সিন্ধুতে ৫৪টি আংশিক এবং ৩৩টি সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। বেলুচিস্তানে ৫৬টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত এবং সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে ৮টি বাড়ি।
গিলগিট-বালতিস্তানে ৭১টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৬৬টি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। আজাদ কাশ্মীরে ৭৫টি আংশিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং ১৭টি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ইসলামাবাদে ৩৫টি বাড়ি আংশিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং একটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories