শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মীনা কুমারী: অভিনয়ের আড়ালেন এক ক্ষুরধার উর্দু কবি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫
  • ৫৬ বার

হিন্দি সিনেমার ‘ট্র্যাজেডি কুইন’ হিসেবে পরিচিত মীনা কুমারী ছিলেন এক দক্ষ কবিও। তিনি ‘নাজ’ ছদ্মনামে উর্দু কবিতা লিখতেন, যেখানে ফুটে উঠত তার গভীর অনুভূতিআকুলতা, বিষণ্নতা, প্রেম আর একাকিত্ব। সিনেমার পর্দার আড়ালে লুকিয়ে রাখা এই ভেতরের আবেগ প্রকাশের জন্যই কবিতা ছিল তার আশ্রয়।
১৯৭২ সালে মীনা কুমারীর মৃত্যুর পর, তার বহু কবিতা সংকলিত হয়ে তানহা চাঁদ (একাকী চাঁদ) এর মতো গ্রন্থে প্রকাশিত হয়। এই কবিতাগুলো এক সংবেদনশীল আত্মার কথা জানায়, যে যন্ত্রণা, হারানোর বেদনা আর নিজের পরিচয় খুঁজে ফেরার লড়াইয়ে জর্জরিত ছিল। এসব কবিতা ভক্তদের ঝলমলে পর্দার আড়ালের এক অন্য মীনা কুমারীকে চিনে নেওয়ার সুযোগ করে দেয়।
তার কবিতায় বারবার ফিরে এসেছে একাকিত্ব আর অপূর্ণ ভালোবাসার কথা। যেমন একটি লাইন— “জিন্দেগি স্রেফ মোহাব্বত সে নহি চালতি নাজ (জীবন শুধু ভালোবাসা দিয়ে চলে না)- তার দোদুল্যমান বৈবাহিক জীবন আর ব্যক্তিগত সংগ্রামেরই প্রতিফলন। তার কবিতাগুলো যেন ডায়েরির পাতা—ঘনিষ্ঠ আর অকপট স্বীকারোক্তি।
উর্দু কবি ও সাহিত্যিকদের কাছ থেকে মীনা কুমারীর সাহিত্যিক প্রতিভা গভীর সম্মান পেয়েছিল। তাকে প্রায়ই মুশায়রা (কবিতার আসর)-তে আমন্ত্রণ জানানো হতো, যেখানে তার আবৃত্তি মুগ্ধতার সঙ্গে শোনা হতো। বিশিষ্ট সাহিত্যিকেরা তার গভীর ভাবনার সরল ও সুন্দর প্রকাশের ক্ষমতাকে ভূয়সী প্রশংসা করতেন।
মীনার কাছে লেখা শুধু সৃজনশীলতার চর্চা ছিল না-এটি ছিল স্বান্ত্বনার উৎস। হতাশার মুহূর্তে তিনি নিজের ডায়েরির আশ্রয় নিতেন, ছন্দ আর ভাবনা দিয়ে পৃষ্ঠা ভরিয়ে দিতেন। একাকিত্বের বেদনা সামলাতে এই কবিতাই তাকে ভরসা দিত। তার কবিতা আজও তার সংবেদনশীল কবি হৃদয়ের অমলিন সাক্ষ্য হয়ে আছে

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories