করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সংকটাপন্ন রোগীদের চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের উপহার হিসেবে পাঠানো ২৫০ সেট মোবাইল ভেন্টিলেটর দেশে পৌঁছেছে।
শনিবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভেন্টিলেটর বহনকারী বিশেষ কার্গো বিমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ, পররাষ্ট্র সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতর-এর মহাপরিচালক, সিএমএসডি’র পরিচালকসহ স্বাস্থ্য অধিদফত-এর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে মোবাইল ভেন্টিলেটরগুলো গ্রহণ করেন। গ্রহণ করা মোবাইল ভেন্টিলেটরগুলো সিএমএসডিতে পাঠানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ডা. জিয়া আহমেদ সাজেদ, ডা. মাসুদুল হাসান, ডা. চৌধুরী হাফিজ হাসান, ডা. মাহমুদুল শামস বাপ্পি ও কানাডাপ্রবাসী ডা. আরিফুর রহমান মোবাইল ভেন্টিলেটরগুলো সংগ্রহ করে দেশের জন্য পাঠিয়েছেন বলে জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নতুন দিল্লি থেকে উপহারের মোবাইল ভেন্টিলেটরগুলো দেশে পাঠানোর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নতুন দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-১ , দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এই বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যেসব রোগীর সংক্রমণ খুবই মারাত্মক তাদের জীবনরক্ষায়পোর্টেবল ভেন্টিলেটর খুবই কার্যকর এক যন্ত্র। রোগীর ফুসফুস যদি কাজ না করে তাহলে রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের কাজটা পোর্টেবল ভেন্টিলেটর করে দেয়।
এর মাধ্যমে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে এবং পুরোপুরিভাবে সেরে উঠতে রোগী হাতে কিছুটা সময় পান। নানা ধরনের ভেন্টিলেশন যন্ত্র দিয়ে এই কাজটা করা হয়।
যখন রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা শুরু হয় এবং দেহে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়, তখন যান্ত্রিক ভেন্টিলেটর ব্যবহার করো হয়। এটি চাপ দিয়ে ফুসফুসে বাতাস ঢোকায় এবং দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ভেন্টিলেটরে একটি হিউমিডিফায়ারও থাকে। এর কাজ হলো রোগী দেহের তাপমাত্রার সংগে মিল রেখে বাতাস এবং জলীয় বাষ্প সরবরাহ করা।
Leave a Reply