শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেও দুঃসংবাদ পেলেন সাইফ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৭১ বার

কয়েকদিন ধরেই সংবাদের শিরোনাম বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান। বান্দ্রায় নিজ বাড়িতে মধ্যরাতে ছুরিকাঘাতে জখম করা হয় তাকে। ছয়টি ছুরিকাঘাত লাগে সাইফের। পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয় তাকে। পাঁচদিন হাসপাতালে থাকার পর মঙ্গলবার বাড়ি ফিরেছেন তিনি। তবে দুঃসংবাদ যেন পিছু ছাড়ছে এই বলিউড অভিনেতার। ১৫ হাজার কোটি রুপির পারিবারিক সম্পত্তি হাতছাড়া হতে পারে পতৌদিদের।
হিন্দুস্তান টাইমস থেকে জানা গেছে, মধ্যপ্রদেশ সরকার শিগগিরই ‘শত্রু সম্পত্তি আইন’-এর অধীনে অভিনেতার পারিবারিক সম্পত্তির দখল নিতে পারে। বর্তমানে যার বাজার মূল্য ১৫ হাজার কোটি রুপির বেশি। ২০১৫ সাল থেকে এই সম্পত্তির উপর দখল নেওয়ার সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ জারি করেছিল ভোপাল হাই কোর্ট। ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর হাই কোর্ট সাইফের আবেদন খারিজ করে দিয়ে স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রদেশ সরকারে আর কোনও বাধা থাকছে না।
ভোপালের কোহেফিজা থেকে চিকলোড় পর্যন্ত বিস্তৃত সাইফের সম্পত্তি হয়েছেন। যেটির আনুমানিক বাজার মূল্য ১৫ হাজার কোটি টাকা। ভোপালের শেষ নবাব ছিলেন হামিদুল্লাহ খান। সাইফ তারই প্রপৌত্র। হামিদুল্লাহর কন্যা আবিদা সুলতান ১৯৫০ সাল থেকে পাকিস্তানে বসবাস শুরু করেন।
এরপর থেকে পতৌদিদেরই ছিল ভোপালের ওই সম্পত্তি। ১৯৪৭-এ দেশ ভাগের পর অনেক মানুষ পাকিস্তান ও চীনে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের জমি, বাড়ি এবং শেয়ারের মতো সম্পত্তি এখনও এ দেশে রয়ে গেছে। সেই সম্পত্তিগুলোকেই ‘শত্রুর সম্পত্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অর্থাৎ, স্থায়ীভাবে পাকিস্তান ও চীনে চলে যাওয়া ভারতীয়দের সম্পত্তিতে তাদের বংশধরদের আর কোনও অধিকার থাকবে না। সরকার সেই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে বিক্রিও করতে পারবে। তাই বাড়ি ফিরেও চিন্তা কমছে সাইফের পরিবারের সদস্যদের।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories