স্টুডিও অ্যালবাম ‘গাটস’-এর বিশ্ব ট্যুর থেকে বছরজুড়ে আয় হওয়া অর্থের বিশ লাখ মার্কিন ডলার নারীদের দাতব্য সংস্থায় দান করেছেন ‘ভ্যাম্পায়ার’ খ্যাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও গীতিকার অলিভিয়া রদ্রিগো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন পিপল ডটকমের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।
প্রতিবেদন অনুযায়ী গায়িকার পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি দেয়া হয়েছে গত ১৭ ডিসেম্বর। তাতে বলা হয়েছে, বিশ্ব ট্যুরের টিকিট বিক্রির নেট আয় থেকে ২০ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩ কোটি ৮৭ লাখ ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা) অনুদান দিয়েছেন অলিভিয়া। যা পপস্টারের ‘ফান্ড 4 গুড’র মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারী ও মেয়েদের শিক্ষাকে উন্নতি করবে, প্রজনন অধিকারকে সমর্থন করবে এমন সংস্থাগুলোকে প্রদান করা হবে সেই অর্থ।
অর্থগুলো ১০টি সংস্থাকে প্রদান করা হবে। এসব সংস্থাগুলো হচ্ছে ন্যাশনাল নেটওয়ার্ক অব অ্যাবরশন ফান্ডস (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র); নারীদের আশ্রয়কেন্দ্র, কানাডা ; সহিংসতার বিরুদ্ধে নারী, ইউরোপ; প্রাথনাদি ফাউন্ডেশন, থাইল্যান্ড; কোরিয়া ফাউন্ডেশন ফর উইমেন; হারমনি হাউজ লিমিটেড, হংকং; এনপিও উইমেন’র সায়া-সায়া, জাপান; আইধা, সিঙ্গাপুর; ঝপিগো , ফিলিপাইন এবং ওয়েসনেট, অস্ট্রেলিয়া)।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ‘গাটস’ ওয়ার্ল্ড ট্যুর শুরু করেছিলেন গায়িকা অলিভিয়া। এ ব্যাপারে তিনি বলেছিলেন, এই সফর আমার জন্য একটি বিশেষ মাইলফলক। এটি শুধু প্রথমবারের মতো ফিলিপাইন সফর করছি না, এখানে আমার ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য পারফর্মও করছি। আমি আমার ফিলিপিনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত।
এর আগে গত বছরের অক্টোবরে ‘ফান্ড 4 গুড’ এবং নারীদের সমস্যা ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবাকে সমর্থন করার ব্যাপারে কথা বলেছিলেন। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, এই উদ্যোগ হচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠীর জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এ গায়িকা যেসব অঞ্চলে গিয়েছেন সেসব অঞ্চলে নারীদের সমস্যাগুলো বেশ চ্যালেঞ্জিং। এ জন্য এসব নারীদের সহায়তায় প্রচুর অর্থ প্রয়োজন বলেও জানিয়েছিলেন অলিভিয়া।
মার্কিন এ গায়িকা গাটস ওয়ার্ল্ড ট্যুরে ২০টিরও বেশি দেশে ৬০টিরও অধিক শহরে ৯৫টির মতো শো করেছেন। যা আগামী বছর ব্রাজিল ও মেক্সিকোতে স্টেডিয়াম শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ‘গুটস’ হচ্ছে অলিভিয়ার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম। অ্যালবামটি ২০২৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বরে রিলিজ হয়। অ্যালবামটির অধিকাংশ গানই দর্শকমহলে সাড়া ফেলে। তবে এর মধ্যে ‘ভ্যাম্পায়ার’ গানটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ২১ বছর বয়সী এ গায়িকার প্রথম একক ছিল ‘ড্রাইভার্স লাইসেন্স’।
Leave a Reply