বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেমে গেলেও তার রেশ যেন এখনও রয়েই গেছে। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একরে পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য আসছে। যা দেখে শিউরে উঠছেন সাধারণ মানুষ। আন্দোলনে তারকাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন শিক্ষার্থীদের পক্ষে। আবার কেউ বা ছিলেন বিপক্ষে।
সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সমর্থিত শোবিজ তারকাদের আলো আসবেই গ্রুপের স্ক্রিনশট ফাঁসে উত্তাল নেটদুনিয়া। ওই গ্রুপের আন্দোলনকালীন তাদের মধ্যে নানান বিষয় নিয়ে কথোপকথন চলতো।
সদস্যদের মধ্যে ফেরদৌস আহমেদ, রিয়াজ থেকে শুরু করে শামীমা তুষ্টি, জ্যোতিকা জ্যোতি, রোকেয়া প্রাচী, উর্মিলা কর, মিলন ভট্ট, তানভীন সুইটি, সোহানা সাবা, সুবর্ণা মুস্তফা, বদরুল আনাম সৌদ, অরুণা বিশ্বাস, শাহনূর, এস এ হক অলীক, অভিনেতা সাজু খাদেম, শহীদ আলমগীর, নূনা আফরোজ সাংবাদিক লিমন আহমেদ প্রমুখ অ্যাক্টিভ ছিলেন। তবে গ্রুপে নাম থাকায় চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক আলোচনায় এসেছেন।
স্ক্রিনশট ফাঁসের পর থেকেই ওই গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ দাবি করার চেষ্টা করছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন সাইমন।
বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন এই অভিনেতা।
পাঠকদের জন্য সাইমনের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলৈ ধরা হলো-
মন্তব্য করার আগে পড়বেন প্লিজ।
এটা মনে হয় যানেন, যেকোন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আপনি যতজন কে খুশি এড করতে পারেন। বিষয় হচ্ছে আপনি সে গ্রুপে কি লিখেছেন বা আপনি একটিভ ছিলেন কিনা। আপনারা মনে হয় দেখেছেন, আমাকে উনারা এড রেখেছিলেন কিন্তু আমার কোনো রিয়েকশন ছিল না।
আমার ভুল হয়েছে, উনারা আমাকে এড করার পর আমি কেন লিভ নিলাম না। আর আপনি বলুন তো, একই পেশার বড়রা যখন আপনাকে একটা গ্রুপে এড করতো আপনি কি করতেন??
(যিনি আলো আসবেই গ্রুপে থেকে স্ক্রিনশটগুলো ফাঁস করেছেন, তিনি কেন তখন লিভ নেন নাই? নিশ্চই তখন সুবিধা নেওয়ার ধান্দায় ছিল।
আমাকে বারবার ফোন করা হচ্ছিলো আমি যেন বিটিভি তে গিয়ে আন্দোলনে দাঁড়াই, আমি বারবার না করার পর বলল যে ঠিক আছে, তুমি আসতে পারবে না সেটা অন্তত গ্রুপে লিখে দাও! এটা যদি অনেক বড় অপরাধ হয় আমি অপরাধী। সবাই সুন্দর থাকুন, স্বাদ নিন।
এরপর পর সায়মন সাদিকের সঙ্গে এই প্রতিবেদকের কথা হলে তিনি জানান- ঘটনার সময় আমি কিশোরগঞ্জ ছিলাম। এখনও তাই। আমাকে একদিন ফেরদৌস ভাই ফোন করলো তাদের সঙ্গে যোগ দিতে। জবাবে বললাম-আমি দেশের বাড়িতে। তিনি বললেন গ্রুপে বলে দাও। আমি সে মোতাবেক গ্রুপে ইনফর্ম করি, ব্যস এতোটুকুই।
হতাহতের খবর জানতেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে এই অভিনেতা বলেন, জানেনতো ইন্টারনেট সেবা বন্ধ ছিলো তাই কোথায় কি হচ্ছে তা জানতে পারিনি। তবে পরে শুনেছি প্রচুর শিক্ষার্থী ও জনতা হতাহতের ঘটনা। এটা খুবই দুঃখজনক। আমি প্রতিটি হত্যাকান্ডের বিচার চাই।
Leave a Reply