শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

দিদি নম্বর ওয়ান’ রচনার কাছে হুগলিতে ‘ধরাশায়ী’ বিজেপির লকেট

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪
  • ৭৫ বার

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে প্রচারের প্রথম দিন ‘শিল্পের ধোঁয়া’ দেখেছিলেন হুগলির তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বিস্তর। সমাজমাধ্যম জুড়ে ‘মিম’-এর বন্যা বয়ে গিয়েছিল। যদিও সেই সবে পাত্তা দেননি রচনা। তিনি দই খেয়ে সিঙ্গুরের গরুর প্রশংসা করেছেন। ফলপ্রকাশের আগের দিনে ‘রিলাক্সড মুড’-এ রচনা জানিয়ে দেন তিনি ভাগ্যে বিশ্বাসী। আর ফল যা-ই হোক, তিনি মেনে নেবেন। মঙ্গলবার ফলঘোষণার পর দেখা গেল ‘ভাগ্য সহায়’ তৃণমূলের তারকা প্রার্থীর। বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে পরাজিত করলেন তিনি।
গত লোকসভা ভোটে তৃণমূলের কাছ থেকে হুগলি আসন ছিনিয়ে নেয় বিজেপি। সৌজন্যে তারকা প্রার্থী লকেট। যদিও তার আগেই ভোটে লড়ার অভিজ্ঞতা ছিল লকেটের। ছিল রাজনীতির অভিজ্ঞতাও। তাই রচনাকে হারানোর ব্যাপারে প্রত্যয়ী ছিলেন তিনি। সোমবার রচনা যখন জানান, তিনি বুঝতে পারছেন না যে ফল কী হবে, তখন লকেট সহানুভূতির সুরেই জানান, তৃণমূল প্রার্থী রাজনীতিতে নতুন। তাই বুঝতে পারছেন না। তবে তিনি বুঝে গিয়েছেন যে ভোটে তাঁরাই জয়ী হবেন। আবার হুগলি লোকসভা আসনটি ‘মোদীজি’কে উপহার দেবেন। শেষমেশ নয় রাউন্ডের শেষে দেখা গেল, রচনা তাঁর থেকে প্রায় ৩০ হাজার ভোটে এগিয়ে।
২০১৯ সালে হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে হারের ময়নাতদন্তে বসে তৃণমূল দেখেছিল, মূলত গোষ্ঠীকোন্দলই তাদের ডুবিয়েছে। ২০২৪-এর আগেও গোষ্ঠীকোন্দল ভুগিয়েছে। তার পরেও জয় এসেছে। তৃণমূলেরই অনেকে বলেছেন, রচনাকে জেতানোর জন্য দলের সবাই বৈরিতা ভুলে একসঙ্গে ঝাঁপিয়েছিলেন। তাই গত ২০ মে বুথে-বুথে তৃণমূল এবং বিজেপিকে ‘রণংদেহী’ ভাবে দেখা গিয়েছে। ধনিয়াখালির তৃণমূল বিধায়ক অসীমা পাত্রের সঙ্গে বিজেপি প্রার্থী লকেটের ‘চোর-চোর’ এবং পাল্টা ‘ডাকাত-ডাকাত’ স্লোগান বাংলার ভোট-ইতিহাসে বেনজির সব ছবির মধ্যে একটি।
সোমবার হুগলি এইচআইটি কলেজে ভোটগণনা কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে রচনা বলেছেন, ‘‘দু’ মাস ধরে প্রচার করেছি। বহু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। ভোট গণনার আগে নতুন একটা অভিজ্ঞতা তো বটেই। তবে আজ অনেকটা ‘রিলাক্সড’ লাগছে। অদ্ভুত রকমের একটা অনুভূতি হচ্ছে। ভোট মেটার পর তো ছুটি পাইনি।’ তৃণমূলের ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর সংযোজন, ‘‘অনেকেই ঘুরতে গিয়েছেন। কিন্তু আমার ঘোরার জায়গা ছিল রাজারহাটে শুটিং ফ্লোর।’’ আর ভোটের গণনা শুরুর আগে রচনা জানান, অনেক মিষ্টি খাওয়া হয়েছে। এ বার ‘ডায়েট’-এ ফিরে যাবেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories