শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

গাজার বিষয়ে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জাতিসংঘ কর্মকর্তার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৭৭ বার

গাজায় যুদ্ধের ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর, জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তা শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদকে এ নিয়ে ব্রিফ করেছেন। তিনি গুরুতর মানবিক সংকট তুলে ধরেন এবং জরুরি বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ছয় মাস হৃদয়বিদারক এবং শোকের উল্লেখ করে মানবিক বিষয়ক জাতিসংঘ অফিসের সমন্বয় বিভাগের পরিচালক রমেশ রাজাসিংহাম বলেছেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া গাজার জনগণের বিশদ বিবরণ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, এই যুদ্ধে ৩৩ হাজারেরও বেশি নিহত এবং ৭৫ হাজার আহত হওয়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি একটি জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে। যেখানে শিশু এবং মহিলারা অস্বভিাবিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।
রাজাসিংহাম জোর দিয়ে বলেছেন, এটা স্পষ্ট যে, গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের কোনও সুরক্ষা নেই। নিরপরাধ জীবন রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের জরুরি প্রয়োজনের ওপর জোর দিয়েছেন। এই যুদ্ধে বিপর্যয়কর বাস্তুচ্যুতি হয়েছে, ১৭ লক্ষ মানুষ। গাজার জনসংখ্যার ৭৫ শতাংশ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে অনিশ্চিত জীবনযাপনে বাধ্য হয়েছে।
জাতিসংঘের কর্মকর্তা ভয়াবহ বোমাবর্ষণ এবং স্থল অভিযানের আকারে প্রত্যক্ষ করা সাম্প্রতিক ‘স্পর্শকাতর বর্বরতা’সহ সংঘাতের ধ্বংসাত্মক প্রভাবের কথা বর্ণনা করেছেন। যা কেবল শত শত মানুষের প্রাণহানিই ঘটায়নি, বরং মানবিক প্রচেষ্টাকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে।
তিনি বলেন, ১ এপ্রিল আল শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্স থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার করার পর দেখা যায় হাসপাতালটি প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইসরায়েলি বিমান হামলায় ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের সাত ত্রাণ কর্মী নিহত হওয়ার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজাসিংহাম বলেন, ‘তারা তাদের গতিবিধির কথা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে জানিয়েছিল।
রাজাসিংহাম বলেন, এই চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, সাহায্য কর্মীরা প্রয়োজনে তাদের জরুরি সেবা প্রদানের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
রাজাসিংহাম সমস্ত মানবিক সংস্থার জন্য নিরাপদ, দ্রুত এবং নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকারের আহ্বান জানিয়েছেন যাতে প্রয়োজনে সমস্ত বেসামরিক মানুষের কাছে সাহায্য পৌঁছানো যায়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories