সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের ১১ যুদ্ধবিমান-হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবি ইরানের সিরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৩৫ জন নিহত ইন্টারসেপ্টর ফুরিয়ে যাওয়ার ভয়ে ইরানে হামলা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের ভারতের নতুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে বলিউড তারকাদের প্রতিক্রিয়া নিউ ইয়র্কে এলে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আহ্বান কংগ্রেসম্যান রো খান্নার এইচএসসির রসায়ন প্রশ্নে ভুল নেই, উত্তরপত্র মূল্যায়নে বোর্ডের নির্দেশিকা প্রকাশ প্রসাধনী ছাড়াও চোখের নিচের কালো দাগ সারানোর উপায় আলোচনায় অনীহা! বিরোধী সাংসদদের নিয়ে ‘গান্ধী স্মৃতি’তে জমায়েত রাহুলের ওমরাহ পালনের পথে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনা: একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি নিহত

মুন্সীগঞ্জের টংঙ্গীবাড়ীতে ২৭টি কোল্ড ষ্টোরেজে সংরক্ষিত আলু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৬৬ বার

মুন্সীগঞ্জের টংঙ্গীবাড়ীতে ২৭টি কোল্ড ষ্টোরেজে সংরক্ষিত আলু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।প্রতিকেজি আলু উৎপাদন খরচ ২০ টাকা হলেও সেপ্টেম্বর মাসে তা বিক্রি হচ্ছে ১৬ টাকা।এতে বস্তা প্রতি লোকসান হচ্ছে তাদের ৪শ’ টাকা।বর্তমানে বাজারে খুচরা বিক্রয় হচ্ছে কেজি ২৫টাকা।গত বছর এ সময়ে কোল্ড ষ্টোর থেকে ৪৫ শতাংশ আলু খালাস হলেও বর্তমানে তা খালাস হচ্ছে ৩০ শতাংশ।এখনও কোল্ড ষ্টোরগুলোতে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টন আলু সংরিক্ষত রয়েছে।উপজেলার কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়,চলতি বছরে এ উপজেলায় ৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। আলু উৎপাদন হয়েছিল ২ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন।এরমধ্যে কৃষক জমিতে রেখে কিছু আলু বিক্রি করলেও বেশি দামের আশায় কোল্ড ষ্টোরগুলোতে মজুদ করে রেখেছিল কৃষক।তবে খাবার আলুর পাশাপাশি কোল্ডষ্টোরগুলোতে বীজ আলুও রয়েছে।এখনও কোল্ড ষ্টোরগুলোতে সংরক্ষিত আলু অবিক্রিত রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টন।কৃষক নুরুজ্জামান সরদার সাংবাদিকদের জানান,প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও টানা বৃষ্টিতে চলতি বছরে জমিতে রোপণ করা বীজ আলু নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পুণরায় আলুর বীজ,সার ক্রয় করে শ্রমিক দিয়ে আবারও রোপণ করতে হয়েছে।তাই অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর আলুর চাষের খরচ বেশি হয়েছে। জমিগুলোতে আলু ফলন কমও হয়েছে। ১ হাজার বস্তা আলু কোল্ড ষ্টোরেজে সংরক্ষণ করেছি।ষ্টোরেজের ভাড়াসহ প্রতিবস্তা আলুর উৎপাদন খরচ পড়েছে ১হাজার টাকা।বর্তমানে প্রতিবস্তা আলুর বাজার মূল্য ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা।এক হাজার আলুর বস্তায় মোটা অংকের টাকা লোকসান গুনতে হবে।শরীফ কোল্ড ষ্টোর ম্যানেজার মোঃআলমগীর হোসেন জানান, কৃষকরা দাম না পাওয়ায় কোল্ড ষ্টোর থেকে আলু বের করছেন না।মঙ্গলবার(২০সেপ্টেম্বর) উপজেলার শরিফ কোল্ড ষ্টোরেজে গিয়ে দেখা যায়,রাজধানী ঢাকায় কাঁচা বাজার আড়ৎগুলোতে আলু পাঠানোর জন্য কোল্ড ষ্টোরেজে শ্রমিক দিয়ে আলু বাছাই করে বস্তায় ঢুকাচ্ছেন কৃষক।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়নুল আলম তালুকদার জানান,আলুর মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে কৃষকের রোপণ করা আলুর বীজ নষ্ট হওয়ায় পুনরায় আবার বীজ,সার ক্রয় করে আলু রোপণ করেছে আলু চাষীরা।এতে করে তাদের খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে।গত বছরের চেয়ে এ বছর আলু উৎপাদন কম হওয়া শর্তেও বাজারে আলুচাহিদা কম।এতে করে বিপাকে পড়েছে কৃষকরা।মোট অবিক্রিত আলুর পরিমান ১লাখ ১হাজার ৩০৬ মেট্রিক টন।খাবারের আলু মজুদ আছে ৭৫৯০৬ মেট্রিক টন।সরকার এই ফসলের জন্য কোন অনুদান বা ভর্তূকি দেন না।তিনি আরো জানান, যে ফসল অতিরিক্ত হয় সে ফসল কৃষকরা ফলন বাড়িয়ে আরো সমস্যা সৃষ্টি করে।এ বিষয়ে সরকার দায়ী নহে।জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃখুরশিদ আলম জানান, অবিক্রিত আলুর বিষয়ে সরকারের কোন পদক্ষেপ নেয়নি এখন পর্যন্ত।কৃষকগণের লোকসানের বিষয় আমাদের কিছুই করার নেই।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories