ঢাকা-গাজীপুর রুটে চলাচলকারী মানুষের ভোগান্তি নিরসনে বিশেষ ট্রেন চালু হচ্ছে আগামী রোববার থেকে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এ ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা জানান।
গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে ঢাকা বিমান বন্দর পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) প্রকল্পের নির্মাণ কাজের ধীরগতিতে চলাচলকারী যাত্রী ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় গাজীপুরসহ উত্তরাঞ্চলের এই সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী মানুষের ভোগান্তি কমাতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল স্ট্যাটাসে লিখেছেন, গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্তত রাস্তাটিকে যানজট মুক্ত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বিআরটি প্রজেক্ট আমাদেরকে উপহার হিসাবে দিয়েছেন। কিন্তু ঠিকাদারদের ক্রমাগত দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার কারণে অনেক বছর ধরে ধীর গতিতে কাজ করায় মানুষের দুর্ভোগের কোনো সীমা নেই, আবার যখন বর্ষাকাল আসে জনসাধারণের এই দুর্ভোগ কয়েকগুন বৃদ্ধি পায়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিআরটি প্রজেক্টে দায়িত্ব পালনরত সচিব, পিডিসহ সকলকে প্রায় প্রতিদিনই কয়েকবার করে ফোন করছি, যাতে টঙ্গী গাজীপুরবাসীসহ এই মহা-সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী প্রায় ৩৭ টি জেলার মানুষদের এই দুর্ভোগের হাত থেকে দ্রুত রক্ষা করা যায়। সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসনসহ সবাই আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করছেন উপরন্তু গাজীপুর যাওয়ার সকল বিকল্প রাস্তা গুলো কাজ একসাথে চলমান থাকায়, সেই রাস্তা গুলো বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করতে না পারায় এই দুর্ভোগটি যেন আরো বেড়ে গেছে।
তিনি বলেন, এই দুর্ভোগের হাত থেকে মানুষদের কিছুটা হলেও রক্ষা করতে গত বৃহস্পতিবার রাতে মাননীয় রেলমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে কথা বলে আগামী রোববার থেকে গাজীপুর, টঙ্গী হয়ে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে টঙ্গী হয়ে গাজীপুর পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। মাননীয় রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন মহোদয়ের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। জনগণের দুর্ভোগ লাগবে তিনি আমার দাবী বাস্তবায়ন করেছেন। আমার পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সকল ধরণের উন্নয়ন প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
Leave a Reply