বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির আগে মহামান্য, প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীদের আগে মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ না থামলে জ্বালানি সংকট নিরসন সম্ভব নয়: রুহুল কবির রিজভী প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে : ড. তিতুমীর ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু মালয়েশিয়ার জোহরে তিন কারখানায় অভিযান, ১৫৫ বাংলাদেশিসহ আটক ২৩৪ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের চাকরি চান হাইকমিশনার

চুয়াডাঙ্গার হাসপাতালে প্রেমিক যুগলের বিয়ে, কেবিনে বাসর!

জেলা প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ২৮৪ বার

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বে-সরকারি একটি হাসপাতালের কেবিনে প্রেমিক যুগলের বিয়ে ও বাসর সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) দিনগত মধ্যরাতে বিয়ের পর সেখানে তারা রাত্রি যাপন করেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় আলমডাঙ্গা উপজেলার চরপাড়া গ্রামের আব্দুস সোবহানের অনার্স পড়ুয়া ছেলে হুসাইন আহমেদের (২৩) ডান পা ভেঙ্গে যায়। ভাঙ্গা পা নিয়ে তিনি গত কয়েক দিন ধরে উপজেলার ফাতেমা ক্লিনিকের ৪ নম্বর কেবিনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার দেখা শোনার জন্য সেখানে তার মা-বাবা ও বোন রয়েছেন।
হুসাইন আহমেদের পা ভেঙে হাসপাতালে কষ্টে আছেন এমন খবর পেয়ে ঝিনাইদহের লেবুতলা গ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার ছুটে আসেন প্রেমিকা তাসফিয়া সুলতানা মেঘা (১৯)। সব কিছু জানার পর হুসাইন আহমেদের স্বজনরা মেঘার বাবার সঙ্গে কথা বলেন। ঘটনা শুনে মেঘার বাবা মেয়েকে বাড়িতে নিতে অস্বীকার করেন। সম্ভব হলে বিয়ে দিয়ে দেবার পরামর্শ দেন তিনি। বিয়েতে রাজি হন মেঘাও। পরে গভীর রাতে হাসপাতালের কেবিনেই কাজি ডেকে তাদের বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর সেখানেই তারা রাত্রি যাপন করেন।
হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা স্কুলশিক্ষক রহমান মুকুল বলেন, বিয়ের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে নব দম্পতিকে দেখার জন্য ভিড় জমে।

হুসাইন আহমেদের বাবা আব্দুস সোবহান বলেন, মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে আমাদের পূর্ব থেকেই পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া ছেলের সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ে আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। ছেলের অসুস্থতার কথা শুনে মেয়েটি ক্লিনিকে চলে এসেছে। এরপর আমি মেয়ের পিতার সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলি। মেয়ের বাবা এভাবে বিয়ে দিতে রাজি না। কিন্তু মেয়েটি বিয়ে না করে এখান থেকে যাবে না এরকম জেদ ধরার পর মধ্যরাতে কাজি ডেকে বিয়ে দেয়া হয়।

ফাতেমা ক্লিনিকের মালিক মুনজুর আলী বলেন, ছেলের বাবা আব্দুস সোবহান আমার বাল্য বন্ধু। বন্ধুর ইচ্ছাতে তার ছেলের বিয়ে আমার ক্লিনিকে হয়েছে। ক্লিনিকে এরকম একটা বিয়ে হয়েছে এ জন্য আমারও ভালো লাগছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories