দেশের ৪ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার
মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় সোমবার সারাদেশে কম-বেশি বৃষ্টি হয়েছে।আজ মঙ্গলবারও সারাদেশে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেই সঙ্গে ঢাকাসহ
দেশের ৫ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত নদীবন্দরগুলোর
দেশের ৩ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।রোববার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে- রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা
দেশের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। একই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।শুক্রবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, দেশের দুই বিভাগের ওপর দিয়ে বৃহস্পতিবারদুপুর ১টার মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিমি বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য
দেশের ছয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বুধবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার
বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানার একদিন পরও ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব কাটেনি। মঙ্গলবার সকালেও থেমে থেমে বৃষ্টি, সঙ্গে দমকা বাতাস বইছে।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে বর্তমানে স্থল নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে।
দেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত করা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে দেশের ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান। এছাড়া প্রায় দেড় লাখ