সপ্তাহের শেষে সারাদেশে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে
দেশের দুই অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়সহ শিলাবৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।শনিবার দুপুর একটা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়।আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে
দেশের সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর
ঢাকাসহ দেশের চার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হওয়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। সেসঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।বুধবার ভোর পাঁচটা থেকে বেলা
দেশের ৩১ জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে। চলমান তাপপ্রবাহ তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে
সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দেশের ৫ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।আবহাওয়ার পূর্বাভাসে একইসাথে বজ্রসহ
দুদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গরম বেড়েছে। এর মধ্যেই স্বস্তির বৃষ্টি দেখা দিয়েছে রাজধানী ঢাকায়। বৃষ্টির সঙ্গে বইছে ঝড়ো বাতাস।রোববার সকাল ৬টার পর থেকে আকাশ মেঘলা ছিল। এর পর সাড়ে
মাত্র কয়েক বছর আগে মার্চের মাঝামাঝি থেকেই বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হিট ওয়েভ বা তাপপ্রবাহ শুরু হয়ে যেত। কিন্তু, এখনকার চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। চলতি বছরের মার্চ মাস প্রায় শেষ হতে চললো।
রাজধানী ঢাকাসহ ৭ বিভাগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টিরে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এমন বার্তা দেয়া হয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন
কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টিও হচ্ছে। মার্চের এই কয়েকদিন ঝড়-বৃষ্টির পর এপ্রিলে তাপপ্রবাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।মঙ্গলবার গণমাধ্যমে এ খবর জানিয়েছে আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ।তিনি