পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ জানান, শনিবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড
শীতের দাপটে কাঁপছে পুরো দেশ। ঠাণ্ডা বাতাস ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিভিন্ন এলাকার জনজীবন। এমন তীব্র শীতের মধ্যেই পাঁচ বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ
শীতের দাপটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শিশুদের ঠান্ডাজনিত রোগ। ঢাকার পাশাপাশি সারাদেশে শিশুদের নিয়ে হাসপাতালে অভিভাবকদের ভিড় বেড়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছে, শীতের প্রকোপ গত কয়েকদিনে বেড়ে যাওয়ায় ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাও দুই
কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ পরিস্থিতিতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
বেলা গড়িয়েছে অনেক, কিন্তু কুয়াশার চাঁদরে ঢাকা চারপাশ। হিমালয় থেকে ধেয়ে আসা হিম শীতল বাতাসে জবুথবু জনজীবন। কুয়াশা আর ঠান্ডার সঙ্গে কোথাও কোথাও যুক্ত হয়েছে বৃষ্টি। এতে ঠান্ডার তীব্রতা বেড়েছে
দিনাজপুরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে।সম্প্রতি সরকার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। তবু স্কুল খোলা রাখা হয়েছে। তীব্র
দেশের এক বিভাগ ও দুই জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এছাড়া রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন জেলাসমূহের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়,
১৭ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা নামলে মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখা যাবে- মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এমন নির্দেশনা জারির কয়েক ঘণ্টার মাথায় তাতে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী- ১৭
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এখনো ঘন কুয়াশায় ঢাকা রয়েছে। বেলা বাড়লেও সূর্যের দেখা না মেলায় শীতে কাবু হয়ে পড়েছে রাজধানীসহ গোটা দেশ। বিশেষ করে বৃদ্ধ আর শিশুদের কষ্ট হচ্ছে বেশি।আবহাওয়ার এই