পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য খাইবার পাখতুনখোয়ার কুররম জেলার সীমান্তে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে ফের সংঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে পাকিস্তানি বাহিনীর হামলায় ১২ জনেরও বেশি আফগান বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আহত
ফিলিস্তিনের গাজায় আটক থাকা জিম্মিদের হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এবার চারজনের মরদেহ ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত দিয়েছে হামাস। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) মধ্যরাতে (স্থানীয়
মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজের ভূমিকা নিয়ে ফের আলোচনায় রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ অক্টোবর) গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি সইয়ের পর তিনি দাবি করেছেন, ‘আট মাসে
বিদেশে অবস্থানরত ‘গোল্ডেন ভিসা’ধারীদের জন্য বিশেষ কনস্যুলার সেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। নতুন এই সেবার মাধ্যমে
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে আবারও তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে সীমান্তজুড়ে। শনিবার আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাকিস্তানের সামরিক অবস্থানগুলোর ওপর তারা পাল্টা হামলা চালিয়েছে। কাবুল জানায়, পাকিস্তানের ধারাবাহিক সীমান্ত লঙ্ঘন ও আফগান
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ গাজা শহরে ফিরে এসেছেন বলে জানিয়েছে সেখানকার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা।সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসসাল শনিবার জানান, ইসরায়েলের হামলা শুক্রবার বন্ধ হওয়ার পরপরই ব্যাপক
ইউরোপে অবৈধ পথে সামগ্রিক অভিবাসন ২২ শতাংশ কমলেও, মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় রুট ব্যবহার করে ইউরোপে প্রবেশকারীদের তালিকায় আবারও শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশের নাগরিকরা। ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রনটেক্সের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন
তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজা টাস্ক ফোর্সের অংশ হিসেবে তাদের ওপর অর্পিত যে কোনো মিশন গ্রহণ করতে তাদের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) এ তথ্য জানায় মন্ত্রণালয়টি।দেশটির
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদনের পরও গাজায় নতুন করে বিমান হামলা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে গাজা শহরের পূর্বাঞ্চলে হেলিকপ্টার দিয়ে হামলা
এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—এ তথ্য প্রায় নিশ্চিত। তবে পুরস্কার না পেলে তার প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে, তা নিয়েই উদ্বেগে রয়েছে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।নরওয়ের