বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সত্যতা পেয়েছে দুদক দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসা বন্ড ব্যবস্থা আরো সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্পীকারের সাথে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু বাংলাদেশ সফরে ভারতের জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজের প্রতিনিধিদল

দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে ভারত সফর করবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা চলমান রয়েছে।
বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের জনগণের সম্পর্ক জোরদার করতে সবপর্যায়ে সংলাপ ও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। সাক্ষাতে ভারতীয় সংসদীয় ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।
এসময় লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান হাইকমিশনার।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সংসদ কীভাবে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে পারে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা তৈরি করতে পারে, তা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আর এটিই ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। এ সময় বর্তমান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
এর আগে স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, রোহিঙ্গা পুনর্বাসন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ে নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গিয়েছে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে ফের গণতন্ত্রের পথ সুগম হয়েছে।
স্পিকার উল্লেখ করেন, আগে কেবল সরকারকেন্দ্রিক সম্পর্ক থাকলেও এখন থেকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান রেখে ‘জনগণকেন্দ্রিক’ সম্পর্কের ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে। স্পিকারের বক্তব্যের জবাবে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীও সমর্থন প্রকাশ করে বলেন, ভারত সরকার দুই দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক নির্মাণেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories