মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভূমিকে অর্থনৈতিক ও উন্নয়নগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন প্রথমবারের মতো আরব আমিরাতে নাতে রাসুল (সা.) প্রতিযোগিতা বাংলাদেশীর মালয়েশিয়ায় অনৈতিক কর্মকান্ড, ১২ বাংলাদেশিসহ আটক ৫৭ ২৮ বাংলাদেশিসহ ২৫৫ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে মানতে হবে ৮ টি ধাপ আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ মার্চ গাজীপুরে উন্নয়ন ও সংস্কার নিয়ে আইইবির মতবিনিময় সভা পানি, বর্জ্য ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে : আফরোজা খানম

ঢাকায় জয়শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাৎ— ভেতরে কী হয়েছিল জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৩ বার

ঢাকায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে করমর্দন থেকে শুরু করে পুরো কথোপকথন— সবই ছিল পরিকল্পিত এবং গণমাধ্যমের জন্য দৃশ্যমান। এমনটাই জানিয়েছেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিক। তার মতে, ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎটির পুরো ঘটনাই মূলত জয়শঙ্করের উদ্যোগে হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ সফরে অভাবনীয় উষ্ণ অভ্যর্থনা পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের এই স্পিকার।
আজ শাহজেব খানজাদা কে সাথ’-এ কথা বলতে গিয়ে আয়াজ সাদিক বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করতে তিনি ঢাকায় ছিলেন। এ সময় পার্লামেন্ট কমপ্লেক্সের একটি ওয়েটিং রুমে ইতোমধ্যেই পাকিস্তান, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে সেখানেই প্রবেশ করেন জয়শঙ্করের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় প্রতিনিধি দল।
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের এই স্পিকার জানান, ঘরে ঢুকেই জয়শঙ্কর প্রথমে অন্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর ইচ্ছে করেই তার দিকে এগিয়ে এসে হাত বাড়ান। আয়াজ সাদিক বলেন, ‘আমি তখন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা বলছিলাম। একপর্যায়ে তিনি (জয়শঙ্কর) আমার কাছে এসে সালাম দিলেন, নিজের পরিচয় দিলেন। আমি যখন পরিচয় দিতে যাচ্ছি, তখনই বললেন—‘এক্সেলেন্সি, আমি আপনাকে চিনি, আপনার পরিচয় দেয়ার দরকার নেই’।
আয়াজ সাদিক বলেন, জয়শঙ্করের সঙ্গে ক্যামেরা দলও ছিল— মানে তিনি ভালোভাবেই জানতেন এই সাক্ষাৎ রেকর্ড হবে এবং গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়বে। তার ভাষায়, ‘তিনি খুব ভালো করেই জানতেন তিনি কী করছেন এবং এটা মিডিয়ায় আসবেই’।
স্পিকার আরও জানান, তিনি অনুভব করেছিলেন, ওই কক্ষে থাকা সবার নজরই ছিল এই সাক্ষাৎকারের দিকে। তিনি জয়শঙ্করকে ‘চতুর রাজনীতিক’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, মুহূর্তটির গুরুত্ব এবং দেখানোর দিকটা তিনি ভালোই জানেন।
জিও টিভির অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে আয়াজ সাদিক আরও জানান, বাংলাদেশ সফরে তিনি অত্যন্ত উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন। পথে পথে মানুষ ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ এবং ‘আই লাভ পাকিস্তান’ স্লোগান দিচ্ছিল। জানাজাস্থলে যাওয়ার পথে জনসাধারণের প্রতিক্রিয়ার কথাও বলেন তিনি।
তিনি জানান, তার গাড়িতে পাকিস্তানের পতাকা লাগানো ছিল। পথের মানুষ পতাকা চিনে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল। তার ভাষায়, ‘নিরাপত্তার কথা ভেবে আমাদের জানালা না নামাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি নামাই। সঙ্গে সঙ্গেই মানুষ ছবি তোলার জন্য এগিয়ে আসে।
সাদিক বলেন, অনেকেই তার সঙ্গে করমর্দন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করতে চেয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে তাকে না চিনলেও সবাই জানতেন— তিনি পাকিস্তানের প্রতিনিধি। তিনি বলেন, ‘পুলিশ বারবার জনসাধারণকে সরিয়ে দিচ্ছিল, কিন্তু তারা আবার ফিরে আসছিল’। পাকিস্তানের এই স্পিকার বলেন, পুরো সফর জুড়েই তিনি পাকিস্তানের পক্ষে স্লোগান শুনেছেন। বাংলাদেশের এই অভ্যর্থনাকে তিনি ‘অসাধারণ উৎসাহ-ব্যাঞ্জক’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories