শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বর্জ্য অপসারণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন ছেলে কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চান তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম টঙ্গীর মাজারবস্তিতে পাওয়া বাইক তাহসিফের কি না যাছাই করছে পুলিশ নওগাঁর বাকি ৫ জনের মরদেহ দেশে আসছে শনিবার সুষ্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী সরকারি বরাদ্দ পাওয়া বাসা ও ফ্ল্যাট বহিরাগতদের মাঝে ভাড়া বন্ধে কড়া নির্দেশনা সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনায় ৬ দফায় হামলার দাবি হুথিদের ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় নিহত-২০ ইরানকে ঘিরে সামরিক তৎপরতা, ইসরায়েলে মার্কিন পরিবহন বিমানের আনাগোনা

অবস্থার অবণতি, লাইফ সাপোর্টে গন-সঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১
  • ১১২ বার

কোভিড-১৯ করোনায় আক্রান্ত গণ-সংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরের শারীরিক অবস্থার অবণতি হয়েছে। তাকে এখন ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। গত রাত ১০টার দিকে চিকিৎসকেরা তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফকির আলমগীরের ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব জানিয়েছেন, কিছুক্ষণ আগে তাঁর বাবার অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৪৫–এ নেমে আসে। যার কারণে চিকিৎসকেরা তাঁকে ভেন্টিলেশন নেওয়ার পরামর্শ দেন। ভেন্টিলেশনে নেওয়ার পর থেকে ফকির আলমগীরের অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯০–এ উন্নীত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাত ১টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে কোভিড ইউনিটে ভর্তির পরপরই তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে।
ষাটের দশক থেকে গণ-সংগীতের সাথে যুক্ত ফকির আলমগীর ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণ-শিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে শামিল হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে।
স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে ভূমিকা রাখেন ৭১ বছর বয়সী এ শিল্পী। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেন।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার কণ্ঠের বেশ কয়েকটি গান দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। এর মধ্যে ‘ও সখিনা’ গানটি এখনও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
১৯৮২ সালের বিটিভির আনন্দ মেলা অনুষ্ঠানে গানটি প্রচারের পর দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলে। গানটি লিখেছেন আলতাফ আলী হাসু। কণ্ঠ দেয়ার পাশাপাশি গানটির সুরও করেছেন ফকির আলমগীর।
তিনি সাংস্কৃতিক সংগঠন ঋষিজ শিল্পী গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠাতা, গণ-সংগীত চর্চার আরেক সংগঠন গণ-সংগীত শিল্পী পরিষদের সাবেক সভাপতি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ-যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করা ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেন।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’ এবং গণ-সংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’, ‘যারা আছেন হৃদয় পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ হয়েছে তার।গ
এদিকে গত দুদিন স্যোশাল মিডিয়ায় এই গুনি শিল্পী মারা গেছেন বলে গুজব ছড়িয়েছে একটি চক্র। এব্যাপারে ফকির আলমগীরের ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব জানান, এটা মিথ্যে অপ-প্রচার। আমি আমার পিতার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোঁয়া কামনা করছি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories