সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে ভরা যৌবনে পদ্মা, দিশেহারা চরাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দির শঙ্কা হালুয়াঘাটে শ্রাবন্তী সরকার ঋতুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই: গাজীপুরে সড়ক প্রতিমন্ত্রী গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে হলে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী শেভরন যুক্তরাষ্ট্র সফ‌রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার নাগরিকের স্বাধীনতা ও সুরক্ষার বিষয়ে সচেতন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রুত বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণাসহ ৭ দাবি সাদপন্থীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যে আদানির বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ

অবস্থার অবণতি, লাইফ সাপোর্টে গন-সঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১
  • ১০৯ বার

কোভিড-১৯ করোনায় আক্রান্ত গণ-সংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরের শারীরিক অবস্থার অবণতি হয়েছে। তাকে এখন ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। গত রাত ১০টার দিকে চিকিৎসকেরা তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফকির আলমগীরের ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব জানিয়েছেন, কিছুক্ষণ আগে তাঁর বাবার অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৪৫–এ নেমে আসে। যার কারণে চিকিৎসকেরা তাঁকে ভেন্টিলেশন নেওয়ার পরামর্শ দেন। ভেন্টিলেশনে নেওয়ার পর থেকে ফকির আলমগীরের অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯০–এ উন্নীত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাত ১টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে কোভিড ইউনিটে ভর্তির পরপরই তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে।
ষাটের দশক থেকে গণ-সংগীতের সাথে যুক্ত ফকির আলমগীর ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণ-শিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে শামিল হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে।
স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে ভূমিকা রাখেন ৭১ বছর বয়সী এ শিল্পী। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেন।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার কণ্ঠের বেশ কয়েকটি গান দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। এর মধ্যে ‘ও সখিনা’ গানটি এখনও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
১৯৮২ সালের বিটিভির আনন্দ মেলা অনুষ্ঠানে গানটি প্রচারের পর দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলে। গানটি লিখেছেন আলতাফ আলী হাসু। কণ্ঠ দেয়ার পাশাপাশি গানটির সুরও করেছেন ফকির আলমগীর।
তিনি সাংস্কৃতিক সংগঠন ঋষিজ শিল্পী গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠাতা, গণ-সংগীত চর্চার আরেক সংগঠন গণ-সংগীত শিল্পী পরিষদের সাবেক সভাপতি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ-যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করা ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেন।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’ এবং গণ-সংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’, ‘যারা আছেন হৃদয় পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ হয়েছে তার।গ
এদিকে গত দুদিন স্যোশাল মিডিয়ায় এই গুনি শিল্পী মারা গেছেন বলে গুজব ছড়িয়েছে একটি চক্র। এব্যাপারে ফকির আলমগীরের ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব জানান, এটা মিথ্যে অপ-প্রচার। আমি আমার পিতার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোঁয়া কামনা করছি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories