৩০৬ রান তাড়া করত এসে অবিশ্বাস্য কিছুর স্বপ্ন দেখেছিল সিটি ক্লাব। জায়ান্ট প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে শেষ ৬ বলে ১৫ রানের টার্গেটটা প্রায় ছুঁয়েই ফেলেছিল কম বাজেটের দল সিটি ক্লাব।
শেষ ওভারে অফ স্পিনার শেখ মেহেদীর প্রথম তিন বলে ১১ রান নিয়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছেন সিটি ক্লাবের মিডল অর্ডার সাজেদুল। তবে শেষ ওভারের ৪র্থ বলে সাজেদুল ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দিলে শেষ ২ বলে ৪ রানের টার্গেটটা আর পাড়ি দিতে পরেনি সিটি ক্লাব।
শেষ দুই বলে ইরফান এবং মইনুল এলবিডাব্লুউতে ফিরে গেলে হ্যাটট্রিক উৎসবে মেতে ওঠেন শেখ মেহেদী। ৩ রানে জিতে হ্যাটট্রিক জয়ের আনন্দ ফেটে পড়ে প্রাইম ব্যাংক।
বিকেএসপি ফোর-এ টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ওপেনার তামিম ইকবালকে হারায় প্রাইম ব্যাংক। বিপিএলে সর্বাধিক রান সংগ্রাহক তামিম প্রিমিয়ার ডিভিশনে হতাশ করে চলেছেন। শাইনপুকুরের বিপক্ষে ১৭, ব্রাদার্সের বিপক্ষে ১৬ রানের পর রোববার সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ৬ রানে আউট হয়েছেন।
তবে তামিমের ব্যর্থতা এদিনও সংক্রমিত হতে দেননি পারভেজ হোসেন ইমন-জাকির হাসান। দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্রাদার্সের বিপক্ষে সেঞ্চুরিয়ান (১৫১) ইমন এদিনও সেঞ্চুরি করেছেন (১১৪ বলে ৫ চার, ৫ ছক্কায় ১০০)। জাকির করেছেন ৭৭ বলে ৮ চার, ১ ছক্কায় ৭৯। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা যোগ করেছেন ১৫৭ রান। সিটি ক্লাবের তরুণ পেসার মেহেদি হাসান পেয়েছেন ৪ উইকেট (৪/৬৮)।
জবাব দিতে এসে জায়রাজের ৭৮ বলে ৫৫, শাহরিয়ার কোমলের ৮৪ বলে ৬৬ এবং সাজেদুলের ৩৭ বলে ৫ চার, ৭ ছক্কায় ৭৬ রানে প্রাইম ব্যাংকের নাভিশ্বাস উঠিয়ে ছেড়েছিল সিটি ক্লাব। ৫ম উইকেট জুটির ৩৪ বলে ৭৩ রানে অসাধ্য সাধনের জন্য লড়েছে সিটি ক্লাব।
শেষ ৬০ বলে ১১২ রানের টার্গেটে করতে পেরেছে সিটি ক্লাব ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৮ রান। বেহিসাবি বোলিং (১০-০-৮৬-৪) করেও অফ স্পিনার শেখ মেহেদীর হ্যাটট্রিকে শেষ হাসি হাসতে পেরেছে প্রাইম ব্যাংক।
প্রাইম ব্যাংক : ৩০৫/৮ (৫০.০ ওভারে)
সিটি ক্লাব : ৩০২/৭ (৫০.০ ওভারে)
ফল : প্রাইম ব্যাংক ৩ উইকেটে জয়ী।
প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ : শেখ মেহেদী (প্রাইম ব্যাংক)।
Leave a Reply