দেশের দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন আজ। তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী বিধৌত টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা’র জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি তিনি।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী জন্মদিনে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।
https://googleads.g.doubleclick.net/pagead/ads?gdpr=0&us_privacy=1—&client=ca-pub-9195970786880391&output=html&h=280&adk=576894858&adf=1649963671&pi=t.aa~a.3566228948~i.4~rp.4&w=740&fwrn=4&fwrnh=100&lmt=1695877563&num_ads=1&rafmt=1&armr=3&sem=mc&pwprc=9245695986&ad_type=text_image&format=740×280&url=https%3A%2F%2Fnagorikvabna.com%2F%25e0%25a6%2586%25e0%25a6%259c-%25e0%25a6%25aa%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25b0%25e0%25a6%25a7%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25a8%25e0%25a6%25ae%25e0%25a6%25a8%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25a4%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25b0%25e0%25a7%2580-%25e0%25a6%25b6%25e0%25a7%2587%25e0%25a6%2596-%25e0%25a6%25b9%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25b8%2F%3Ffbclid%3DIwAR31U78qw9_31b66cTme1kLthP1YXmHcNCt7KFlC01iyk-M5rv4R-h3PKps&host=ca-host-pub-2644536267352236&fwr=0&pra=3&rh=185&rw=740&rpe=1&resp_fmts=3&wgl=1&fa=27&uach=WyJXaW5kb3dzIiwiMTAuMC4wIiwieDg2IiwiIiwiMTE3LjAuNTkzOC45MiIsW10sMCxudWxsLCI2NCIsW1siR29vZ2xlIENocm9tZSIsIjExNy4wLjU5MzguOTIiXSxbIk5vdDtBPUJyYW5kIiwiOC4wLjAuMCJdLFsiQ2hyb21pdW0iLCIxMTcuMC41OTM4LjkyIl1dLDBd&dt=1695877563099&bpp=7&bdt=2004&idt=-M&shv=r20230925&mjsv=m202309250101&ptt=9&saldr=aa&abxe=1&cookie=ID%3D01268946927c2a19-22ebf3eecee20037%3AT%3D1691778677%3ART%3D1695877314%3AS%3DALNI_MYIHkJ3wj_VArt63bRxZAHxCf8skQ&gpic=UID%3D00000c2b04b685fb%3AT%3D1691778677%3ART%3D1695877314%3AS%3DALNI_Ma6hpLcw5rcmorHpHfiR3ES_FYhPg&prev_fmts=0x0%2C728x90&nras=2&correlator=5377363829470&frm=20&pv=1&ga_vid=1745099464.1691778988&ga_sid=1695877562&ga_hid=178285209&ga_fc=1&u_tz=360&u_his=1&u_h=768&u_w=1366&u_ah=728&u_aw=1366&u_cd=24&u_sd=1.1&dmc=4&adx=48&ady=1608&biw=1226&bih=592&scr_x=0&scr_y=0&eid=44759837%2C44759876%2C44759927%2C31078200%2C42531706%2C44795922%2C31078215%2C31067146%2C31067147%2C31067148%2C31068556&oid=2&pvsid=1010388691958763&tmod=855104042&uas=0&nvt=1&ref=https%3A%2F%2Fl.facebook.com%2F&fc=1408&brdim=0%2C0%2C0%2C0%2C1366%2C0%2C1366%2C728%2C1242%2C592&vis=1&rsz=%7C%7Cs%7C&abl=NS&fu=128&bc=31&td=1&nt=1&ifi=4&uci=a!4&btvi=2&fsb=1&xpc=j9MQe4PbaF&p=https%3A//nagorikvabna.com&dtd=47
প্রধানমন্ত্রী তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে গত ২২ সেপ্টেম্বর অন্যান্য বিশ্বনেতাদের অংশগ্রহণে ইউএনজিএ’র সাধারণ আলোচনায় অন্যান্য বছরের মতো বাংলায় ভাষণ দেন।
https://googleads.g.doubleclick.net/pagead/ads?gdpr=0&us_privacy=1—&client=ca-pub-9195970786880391&output=html&h=280&adk=576894858&adf=1846562021&pi=t.aa~a.3566228948~i.6~rp.4&w=740&fwrn=4&fwrnh=100&lmt=1695877563&num_ads=1&rafmt=1&armr=3&sem=mc&pwprc=9245695986&ad_type=text_image&format=740×280&url=https%3A%2F%2Fnagorikvabna.com%2F%25e0%25a6%2586%25e0%25a6%259c-%25e0%25a6%25aa%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25b0%25e0%25a6%25a7%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25a8%25e0%25a6%25ae%25e0%25a6%25a8%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25a4%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25b0%25e0%25a7%2580-%25e0%25a6%25b6%25e0%25a7%2587%25e0%25a6%2596-%25e0%25a6%25b9%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25b8%2F%3Ffbclid%3DIwAR31U78qw9_31b66cTme1kLthP1YXmHcNCt7KFlC01iyk-M5rv4R-h3PKps&host=ca-host-pub-2644536267352236&fwr=0&pra=3&rh=185&rw=740&rpe=1&resp_fmts=3&wgl=1&fa=27&uach=WyJXaW5kb3dzIiwiMTAuMC4wIiwieDg2IiwiIiwiMTE3LjAuNTkzOC45MiIsW10sMCxudWxsLCI2NCIsW1siR29vZ2xlIENocm9tZSIsIjExNy4wLjU5MzguOTIiXSxbIk5vdDtBPUJyYW5kIiwiOC4wLjAuMCJdLFsiQ2hyb21pdW0iLCIxMTcuMC41OTM4LjkyIl1dLDBd&dt=1695877563099&bpp=2&bdt=2004&idt=2&shv=r20230925&mjsv=m202309250101&ptt=9&saldr=aa&abxe=1&cookie=ID%3D01268946927c2a19-22ebf3eecee20037%3AT%3D1691778677%3ART%3D1695877314%3AS%3DALNI_MYIHkJ3wj_VArt63bRxZAHxCf8skQ&gpic=UID%3D00000c2b04b685fb%3AT%3D1691778677%3ART%3D1695877314%3AS%3DALNI_Ma6hpLcw5rcmorHpHfiR3ES_FYhPg&prev_fmts=0x0%2C728x90%2C740x280&nras=3&correlator=5377363829470&frm=20&pv=1&ga_vid=1745099464.1691778988&ga_sid=1695877562&ga_hid=178285209&ga_fc=1&u_tz=360&u_his=1&u_h=768&u_w=1366&u_ah=728&u_aw=1366&u_cd=24&u_sd=1.1&dmc=4&adx=48&ady=1946&biw=1226&bih=592&scr_x=0&scr_y=0&eid=44759837%2C44759876%2C44759927%2C31078200%2C42531706%2C44795922%2C31078215%2C31067146%2C31067147%2C31067148%2C31068556&oid=2&pvsid=1010388691958763&tmod=855104042&uas=0&nvt=1&ref=https%3A%2F%2Fl.facebook.com%2F&fc=1408&brdim=0%2C0%2C0%2C0%2C1366%2C0%2C1366%2C728%2C1242%2C592&vis=1&rsz=%7C%7Cs%7C&abl=NS&fu=128&bc=31&td=1&nt=1&ifi=5&uci=a!5&btvi=3&fsb=1&xpc=zRwvNfkf4l&p=https%3A//nagorikvabna.com&dtd=136
সেখানে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্রাউন ইউনিভার্সিটি বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করে। জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক মডেল তৈরির জন্য জাতিসংঘ স্বীকৃতির পরিপ্রেক্ষিতে তাকে এই বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। ব্রাউন ইউনিভার্সিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ওয়ারেন অ্যালপার্ট মেডিকেল স্কুলের মেডিসিন অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের ডিন ডা. মুকেশ কে. জৈন এখানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার অবস্থানস্থল দি লোটে নিউইয়র্ক হোটেলে প্রশংসাপত্রটি হস্তান্তর করেন।
কমিউনিটি ক্লিনিক মডেলের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য জাতিসংঘ প্রধানমন্ত্রীকে স্বীকৃতির প্রদান করায় ব্রাউনের ওয়ারেন অ্যালপার্ট মেডিকেল স্কুল তাকে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করে।
https://googleads.g.doubleclick.net/pagead/ads?gdpr=0&us_privacy=1—&client=ca-pub-9195970786880391&output=html&h=280&adk=576894858&adf=1140120619&pi=t.aa~a.3566228948~i.10~rp.4&w=740&fwrn=4&fwrnh=100&lmt=1695877563&num_ads=1&rafmt=1&armr=3&sem=mc&pwprc=9245695986&ad_type=text_image&format=740×280&url=https%3A%2F%2Fnagorikvabna.com%2F%25e0%25a6%2586%25e0%25a6%259c-%25e0%25a6%25aa%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25b0%25e0%25a6%25a7%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25a8%25e0%25a6%25ae%25e0%25a6%25a8%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25a4%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25b0%25e0%25a7%2580-%25e0%25a6%25b6%25e0%25a7%2587%25e0%25a6%2596-%25e0%25a6%25b9%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25b8%2F%3Ffbclid%3DIwAR31U78qw9_31b66cTme1kLthP1YXmHcNCt7KFlC01iyk-M5rv4R-h3PKps&host=ca-host-pub-2644536267352236&fwr=0&pra=3&rh=185&rw=740&rpe=1&resp_fmts=3&wgl=1&fa=27&uach=WyJXaW5kb3dzIiwiMTAuMC4wIiwieDg2IiwiIiwiMTE3LjAuNTkzOC45MiIsW10sMCxudWxsLCI2NCIsW1siR29vZ2xlIENocm9tZSIsIjExNy4wLjU5MzguOTIiXSxbIk5vdDtBPUJyYW5kIiwiOC4wLjAuMCJdLFsiQ2hyb21pdW0iLCIxMTcuMC41OTM4LjkyIl1dLDBd&dt=1695877563120&bpp=2&bdt=2025&idt=3&shv=r20230925&mjsv=m202309250101&ptt=9&saldr=aa&abxe=1&cookie=ID%3D01268946927c2a19-22ebf3eecee20037%3AT%3D1691778677%3ART%3D1695877314%3AS%3DALNI_MYIHkJ3wj_VArt63bRxZAHxCf8skQ&gpic=UID%3D00000c2b04b685fb%3AT%3D1691778677%3ART%3D1695877314%3AS%3DALNI_Ma6hpLcw5rcmorHpHfiR3ES_FYhPg&prev_fmts=0x0%2C728x90%2C740x280%2C740x280%2C360x50&nras=5&correlator=5377363829470&frm=20&pv=1&ga_vid=1745099464.1691778988&ga_sid=1695877562&ga_hid=178285209&ga_fc=1&u_tz=360&u_his=1&u_h=768&u_w=1366&u_ah=728&u_aw=1366&u_cd=24&u_sd=1.1&dmc=4&adx=48&ady=2136&biw=1226&bih=592&scr_x=0&scr_y=0&eid=44759837%2C44759876%2C44759927%2C31078200%2C42531706%2C44795922%2C31078215%2C31067146%2C31067147%2C31067148%2C31068556&oid=2&pvsid=1010388691958763&tmod=855104042&uas=0&nvt=1&ref=https%3A%2F%2Fl.facebook.com%2F&fc=1408&brdim=0%2C0%2C0%2C0%2C1366%2C0%2C1366%2C728%2C1242%2C592&vis=1&rsz=%7C%7Cs%7C&abl=NS&fu=128&bc=31&td=1&nt=1&ifi=6&uci=a!6&btvi=5&fsb=1&xpc=6OYAhJhYJN&p=https%3A//nagorikvabna.com&dtd=435
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের একজন সফল প্রধানমন্ত্রী। চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও তিনি বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয় দিয়ে সারা বিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত। বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়।
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য সম্পন্ন করা, সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সমুদ্রে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ও ছিটমহল বিনিময়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশ, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু ও মেট্রোরেল নির্মাণ, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত, দারিদ্র্যের হার হ্রাস, মানুষের গড় আয়ু প্রায় ৭৪ বছর ৪ মাসে উন্নীত, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, সাক্ষরতার হার ৭৫.৬০ শতাংশে উন্নীত করা, বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া, মাদরাসা শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতি দান, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রত্যেকটি জেলায় একটি করে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারী নীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, ফাইভ-জি মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার চালুসহ অসংখ্য ক্ষেত্রে কালোত্তীর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু বলেন, আমরা যেমন বলি বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। তেমনই শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণের কাজ জাতি চোখে দেখতো না। শেখ হাসিনার জন্মের সফলতা ও স্বার্থকতা কর্মের মধ্য দিয়ে।
দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার জন্মদিন বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। বঙ্গবন্ধু আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার রোল মডেল। শেখ হাসিনা আমাদের উন্নয়ন এবং অর্জনের রোল মডেল। তিনি নিজে যা অর্জন করেছেন, তা নজিরবিহীন। বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে বিশেষ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। তার জন্মদিন পালন না করলে আমরা জাতির কাছে অকৃতজ্ঞ থেকে যাব।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রবক্তা স্বপ্নদর্শী এই নেতা ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের পর থেকে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেন এবং ১৯৯৬ সালে প্রথম, ২০০৮ সালে দ্বিতীয় এবং ২০১৪ সালে তৃতীয় এবং ২০১৮ সালে চতুর্থ বারের মতো নির্বাচনে জয়লাভ করে দলকে দেশের নেতৃত্বের আসনে বসাতে সক্ষম হন।
দাদা শেখ লুৎফর রহমান ও দাদি সাহেরা খাতুনের অতি আদরের নাতনি শেখ হাসিনার শৈশব-কৈশোর কেটেছে টুঙ্গিপাড়ায়। শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেলসহ তারা পাঁচ ভাই-বোন। বর্তমানে শেখ হাসিনা ও রেহানা ছাড়া কেউই জীবিত নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু এবং মাতা ফজিলাতুন নেছাসহ সবাই ঘাতকদের নির্মম বুলেটে নিহত হন।
শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল টুঙ্গিপাড়ার এক পাঠশালায়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। তখন পুরনো ঢাকার রজনী বোস লেনে ভাড়া বাসায় ওঠেন তারা।
বঙ্গবন্ধু যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হলে সপরিবারে ৩ নম্বর মিন্টু রোডের বাসায় তারা বসবাস শুরু করেন। শেখ হাসিনাকে ঢাকা শহরে টিকাটুলির নারী শিক্ষা মন্দিরে ভর্তি করা হয়। এখন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শেরেবাংলা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে খ্যাত। শুরু হয় তার শহর বাসের পালা।
তিনি ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেন। ঐ বছরেই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সে ভর্তি হন এবং ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে ১৯৬৮ সালে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সাথে শেখ হাসিনার বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যাওয়ার পর গোটা পরিবারকে ঢাকায় ভিন্ন এক বাড়িতে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। অবরুদ্ধ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই শেখ হাসিনা গৃহবন্দী অবস্থায় তার প্রথম সন্তান ‘জয়’-এর মা হন। ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর কন্যা সন্তান পুতুলের জন্ম হয়।
শেখ হাসিনার পরবর্তী ইতিহাস একবিংশ শতকের অভিযাত্রায় তিনি কীভাবে বাঙালি জাতির কান্ডারী হয়েছেন তারই ইতিহাস। বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখতেন সেই স্বপ্ন রূপায়নের দায়িত্ব নিয়ে বাঙালি জাতির আলোর দিশারী হওয়ার ইতিহাস। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। আর ঐ বছরেরই ১৭ মে দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তিনি ১৯৯০ সালের ঐতিহাসিক গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর সরকার গঠন করে এবং সে বছরের ২৩ জুন প্রথমবারের মতো তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড নিক্ষেপ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও ঐ হামলায় ২৪ জন নিহত এবং ৫শ’ নেতা-কর্মী আহত হন।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিয়ে বিশাল বিজয় অর্জন করে। এই বিজয়ের মধ্যদিয়ে শেখ হাসিনা দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তৃতীয়বার এবং ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
শিল্প সংস্কৃতি ও সাহিত্যঅন্তপ্রাণ শেখ হাসিনা লেখালেখিও করেন। তার লেখা এবং সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩০টিরও বেশি। প্রকাশিত অন্যতম বইগুলো হচ্ছে- শেখ মুজিব আমার পিতা, সাদা কালো, ওরা টোকাই কেন, বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম, দারিদ্র্য দূরীকরণ, আমাদের ছোট রাসেল সোনা, আমার স্বপ্ন আমার সংগ্রাম, সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র, আর্ন্তজাতিক সর্ম্পক উন্নয়ন, বিপন্ন গণতন্ত্র, সহে না মানবতার অবমাননা, আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি, সবুজ মাঠ পেরিয়ে ইত্যাদি।
Leave a Reply