মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত ছাত্রীদের সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কনসার্ট বন্ধের রীতি আগে থেকেই ছিল: সংগীতশিল্পী ন্যান্সি রাজধানীর পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে: এলজিআরডি মন্ত্রী সংসদ অধিবেশন ঘিরে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ ভূমিকে অর্থনৈতিক ও উন্নয়নগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন প্রথমবারের মতো আরব আমিরাতে নাতে রাসুল (সা.) প্রতিযোগিতা বাংলাদেশীর মালয়েশিয়ায় অনৈতিক কর্মকান্ড, ১২ বাংলাদেশিসহ আটক ৫৭ ২৮ বাংলাদেশিসহ ২৫৫ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্মেলন হতে পারে অক্টোবরে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৫৩ বার

ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি-সম্পাদক দায়িত্ব নেওয়ার পরও পেরিয়েছে ৩ বছর। দীর্ঘ মেয়াদে দায়িত্বে থাকলেও আশানুরূপ সাংগঠনিক শক্তি অর্জনে ব্যর্থতার অভিযোগ আছে বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে। আছে অছাত্র, বিবাহিত এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের পদ দেওয়ার অভিযোগ। এর মাঝে সম্মেলনপ্রত্যাশী নেতাদের তোপের মুখে একাধিকবার পড়েছেন তারা দুজন। তবে সম্মেলন করার কোনো উদ্যোগ নেননি তারা। যদিও ২০১৮ সালে ২৯তম সম্মেলনের পর পেরিয়ে গেছে চার বছর।এ অবস্থায় আগামী নির্বাচনের আগে নতুন নেতৃত্ব আনতে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলন হতে পারে আগামী অক্টোবরে।

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ছাত্রলীগের দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক বলেন, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় আমরা সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চলতি বছরের অক্টোবরেই ছাত্রলীগের সম্মেলনের জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হবে।তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে ফিরলে আমরা তার সঙ্গে বৈঠকে বসবো। তখন তিনি সম্মেলনের তারিখ জানাবেন। এ মাসে আবার প্রধানমন্ত্রীরর জাতিসংঘ সফরও রয়েছে। এটি শেষ করে এ মাসেই দেশে ফিরবেন তিনি। আমরা আশা করছি, অক্টোবরের মধ্যে সম্মেলনের কাজ সেরে ফেলতে পারবো।’এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, তবে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ ঠিক হয়নি। নেত্রী যখনই তার সুবিধামতো তারিখের কথা জানাবেন, তখনই সম্মেলন করা হবে।এদিকে একাধিক সূত্র বলছে, আসন্ন সম্মেলনকে ঘিরে নেতৃত্বে আসার যোগ্যতা আছে এমন ছাত্রনেতাদের জীবনবৃত্তান্ত ও কার্যক্রমের তালিকা সংগ্রহ করেছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। এখন হেভিওয়েট প্রার্থীদের অধিকতর তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ বা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ লক্ষ্য করেই ছাত্রনেতাদের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি ও জমা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের কাজ করছেন।আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছ থেকে সম্মেলনের সিদ্ধান্ত ও প্রস্তুতির কথা জেনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা।ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সোহান খান  এ বিষয়ে বলেন, সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের ধন্যবাদ জানাই। জয়-লেখকের কাছ থেকে ছাত্রলীগ মুক্ত হচ্ছে, এটা অনেক আনন্দের। আমরা চাই, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ছাত্রলীগ তার ঐতিহ্য, ধারাবাহিকতা ও গতিশীলতা ফিরে পাক।ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব খান বলেন, নানান কারণে ছাত্রলীগের সম্মেলন এতদিন হয়নি। এতে সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘিত হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের সম্মেলন করার বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তাতে আমরা আনন্দিত।

ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস আলম বলেন, ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলন একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। দুঃখজনকভাবে গত কমিটি গঠনের সময় সম্মেলন করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় আমরা নেত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। নেত্রীর নির্দেশনায় সম্মেলন হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে কাজ করার প্রেরণা-উৎসাহ আসবে।সম্মেলনের বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান জয় বলেন, আমরা আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী, অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত করে দিতে অনুরোধ করেছিলাম। তিনি বলেছেন, জানাবেন।ছাত্রলীগের সবশেষ ২৯তম জাতীয় সম্মেলন হয় ২০১৮ সালের মে মাসে। ওই বছরের জুলাইয়ে সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানী। উন্নয়ন প্রকল্পে চাঁদা দাবিসহ নানা অভিযোগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে পদ হারান এই দুই নেতা।শোভন ও রাব্বানীকে দুর্নীতির দায়ে বহিষ্কারের পর কপাল খুলে যায় বর্তমান সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের। প্রথমে তারা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পান। পরে ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি তাদের ভারমুক্ত করা হয়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories