রাজশাহীর বাঘায় স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষন করার অভিযোগে তিন আসামী তারেক (২৫),নাসির উদ্দিন(১৯), সবুজ আলী (২০) কে গ্রফতার করেছে পুলিশ। রবিবার দিবাগত রাতে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নজরুল ইসলাম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে। তবে ঘটনার মূল প্রেমিক সুমন পলাতক রয়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় ঐ স্কুল ছাত্রীকে মোবাইলে কল করে ডেকে আনে তার ছদ্দ নামীয় প্রেমিক সুমন (২৭)। তার আসল নাম আলামিন। তিনি উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার মানিক হোসেন ছেলে।
স্কুল ছাত্রী তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সুমন তার সাথে এর আগেও শারিরীক মেলা-মেশা করেছে। সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যায় সে ঐ ছাত্রীকে মোবাইলে কল করে উপজেলার তেঁথুলিয়া নওদাপাড়া গ্রাম থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে ডেকে আনে। এরপর সুমন একটু পরে আসছি বলে তার প্রেমিকাকে তিন বন্ধুর কাছে রেখে চলে যায়। সুমন ঘটনা স্থল থেকে চলে যাওয়ার পর সে আর ফিরে আসেনি। অত:পর বাঘা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পেছনে রাতভর ঐ ছাত্রীকে গণধর্ষন করে তারেক (২৫) পিতা এমদাদ আলী, গ্রাম উত্তর মিলিক বাঘা, নাসির উদ্দিন(১৯) পিতা সাদেক আলী, গ্রাম মিলিক বাঘা এবং সবুজ আলী (২০) পিতা নওসের আলী, গ্রাম বাজুবাঘা নতুন পাড়া।
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর দিন রবিবার রাতে ঐ ছাত্রী তার বাবা-মাকে সাথে করে বাঘা থানায় এসে চারজনকে অভিযুক্ত করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হন। অপর একজন পলাতক রয়েছে। আটককৃত আসামীদের সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
Leave a Reply