বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কুড়িগ্রামের উলিপুরে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠান সরকারকে ব্যর্থ করতে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে : রিজভী মিরপুরে ফ্ল্যাট পাবেন জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত পরিবার: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: ইরান ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য চায় ভারত-রাশিয়া আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট ৩ প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের কমনওয়েলথ গেমস ॥ ইতিহাস গড়ার পরদিনই সর্বনাশ, আগুনে পুড়ে ছাই কিংবদন্তি সাঁতারুর বাড়ি তুরস্কে বীরের সংবর্ধনা পেলেন সালাহ ক্ষমা চেয়ে ফিফা সভাপতির পদ বাঁচালেন ইনফান্তিনো

প্রধানমন্ত্রীকে নকশী কাঁথা উপহার দিলেন আনোয়ারার রহিমা

আনোয়ারা প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৯৩ বার

আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের হাজিগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমানের পাশাপাশি সরাসরি কথা বলেন উপকারভোগী রহিমা খাতুন ও ইয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে। এসময় আনন্দে আত্মহারা রহিমা খাতুন প্রধানমন্ত্রীকে নিজের বানানো দুইটি নকশী কাঁথা উপহার দেন। প্রধানমন্ত্রী হেসে তা গ্রহণও করেন।

ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভূমিহীন ও গৃহহীন হতদরিদ্র রহিমা খাতুন আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবদার করে বলেন, আপনাকে সরাসরি দেইখ্যা কথা বলার মত ভাগ্য আমরা নাই। চারটা মাইয়্যা নিয়ে আমি ভাড়া ঘরে থাকতাম।

এখন আপনার দেওয়া ঘর পেয়ে আমার সুখের শেষ নেই। মনে হয় ফাইভ স্টার হোটেলে আছি। আপনাকে প্রতিদিন দেখার জন্য মেয়ের টিউশনের জমানো টাকা দিয়ে একটি টেলিভিশন কিনেছি। আপনার জন্য দুইটি নকশী কাঁথা সেলাই করেছি। আমার এই উপহার আপনাকে অবশ্যই নিতে হবে। এসময় প্রধানমন্ত্রী হেসে সম্মতি প্রকাশ করেন।

রহিমা খাতুন বলেন, এখন আর অন্যের ঘরে ভাড়া নিয়ে থাকতে হবে না। আপনার দেওয়া ঘরে সমাজের অন্যদের মত করে পুরো পরিবার নিয়ে থাকছি। ঘরের মধ্যে আমার কলেজ পড়ুয়া মেয়ে বাচ্চাদের পড়ায় এবং আমি নকশী কাঁথা সেলাই করে প্রতিমাসে ১৫ হাজার টাকা আয় করছি।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন বৃদ্ধ জেলে ইয়ার মোহাম্মদ। ঘর উপহার দেওয়ার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories