বঙ্গবন্ধুর আহবানে দেশের মানুষ ‘৭১ এ একটি মুক্ত স্বাধীন স্বদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।বিশাল ত্যাগে বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার মূর চেতনা থেকে নানাভাবে জাতিকে বিচ্যুতি করার ষড়যন্ত্র চলেছে। সব ধরনের শোষন বঞ্চনা মুক্ত সকল সমান অধিকারের স্বপ্ন নিয়ে আজও আমাদের লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে।বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে যোদ্ধারা নতুন প্রজন্মকে সাথে করে তাই আবারও পথে নেমেছেন।সকল বিভেদকে দূরে ঠেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা এখন তাদের স্বপ্ন।তারই কর্মসূচীকে সামনে নিয়ে হালুয়াঘাট জয়িতা মার্কেট চত্বরে বীরমুক্তিযোদ্ধা বিমল পালের ৫০ কিমি পদযাত্রার শুভ সূচনায় হালুয়াঘাট প্রশাসন পৌর সভা, বীর মুক্তিযোদ্ধ বৃন্দ বিভিন্ন স্কুল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠন,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এক সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে, জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুভ সূচনা হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠন বীর মুক্তিযুদ্ধা বিমল পালের ৬৯ বছর বয়সে এসে এমন সাহসী পদক্ষেপকে প্রসংশা করে, ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করেন বীরমুক্তিযুদ্ধা কবিরুল ইসলাম বেগের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম,বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র খায়রুল আলম ভূঞা, অধ্যক্ষ আবদুর রশিদ, বজলুর রহমান অধ্যাপক জালাল উদ্দিন অহমদ,আম কাদির বীর মুক্তিযোদ্ধ আঃ মজিদ,সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,বক্তারা এবয়সে এসে বিমল পালের এই কর্মসূচীতে আগামি প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়ের শ্লোগান জয়বাংলায় উৎসাহি হবে।পরে পৌর মেয়র খায়রুল আলম ভূঞা অতিথিদের নিয়ে বীর যুদ্ধার হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেন। মেঘালয় সীমান্ত (হালুয়াঘাট) থেকে ময়মনসিংহে যাত্রা শুরু করে,পথি মধ্যে তাকে এবং তার সাথে থাকা প্রায় ২৫ জন সফর সঙ্গীকে ধারা, ফুলপুর,তারাকান্দা,ও ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রশাসন ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানেন পক্ষ থেকে বিপুল সংবর্ধনা প্রদান করে, ১০ ডিসেম্বর বিকাল ৪টায় সার্কেট হাউজ মুজিব চত্বরে শুভেচ্ছা বক্তব্য,স্মারক প্রদান, শপথ পাঠ শেষে জাতীয় সংগিতের মাধ্যমে পদযাত্রার আনুষ্ঠানিকতার সমাপ্তি করেন সিটি মেয়র জনাব মোঃ ইকরামুল হক টিটু।
Leave a Reply