৫ডিসেম্বর রাত ১১টার সময় শেরপুর সদর উপজেলার মোকসেদপুরে এক মানষিক ভারসাম্যহীন (পাগলী) কে গণধর্ষনের অভিযোগে দুইজনকে আটক করে জনতা। পরে তাদেরকে গণধুলাই দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু পরিচয়হীন ওই পাগলীর সাথে আসলে কি হয়েছিলো এর সঠিক কোন তথ্য পাচ্ছে না পুলিশ। পাগলী কোন তথ্য দিতে পারছে না। তার কাছে কাউকে যেতেও দিচ্ছে না। তাকে ধরে রাখাটাও পুলিশের পক্ষ অসম্ভব হয়ে পড়েছে। থানায় কোন কক্ষে তাকে আটকিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এখন এ পাগলীকে নিয়ে পুলিশ পড়েছে বিপাকে। তার বক্তব্য রেকর্ড করা সম্ভব হচ্ছে না। এখন কি করবে এ পাগলীকে নিয়ে। পাগলী ডাক্তারী পরীক্ষাও করাতে রাজী হচ্ছে না।
তবে পুলিশের ধারনা এ পাগলীকে ধর্ষণ করা হয়তো সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তাকে ধর্ষনের আগেই ডাকচিৎকারে জনতা এসে ওই ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। ধর্ষনের স্বপক্ষে কেউ পুলিশকে স্বাক্ষীও দিচ্ছে না। ধর্ষনের কোন আলামতও পাচ্ছে না পুলিশ। এমন তথ্যই জানালেন শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর আহাম্মেদ।
উল্লেখ্য গত কয়েকদিন ধরে অজ্ঞাত এক মানষিক ভারসাম্যহীন (পাগলী) শেরপুর সদর উপজেলার মোকসেদপুর নন্দীর বাজারে ঘোরাফেরা করে আসছিলো। গতরাত ১১ টার সময় ওই পাগলীকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে মোকসেদপুর খোলা মাঠে নিয়ে যায় চরমুচারিয়া ইউনিয়নের মাছপাড়ার দুলাল মিয়ার ছেলে হকার ফকির, পুরান পাড়ার আলম, নন্দীর পাড়ার জুয়েল ফকির ও পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বরাটিয়ার ফেকা মিয়ার ছেলে আচার বিক্রেতা হামেদ। এসময় পাগলীর ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে ফকির ও হামেদকে আটক করে গনধুলাই দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পালিয়ে যায় আরো দুই ভখাটে।
Leave a Reply