রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আলোচনায় অনীহা! বিরোধী সাংসদদের নিয়ে ‘গান্ধী স্মৃতি’তে জমায়েত রাহুলের ওমরাহ পালনের পথে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনা: একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি নিহত লোকনাথ ভক্ত সেজে স্বর্ণালংকার লুট, গ্রেফতার ভুয়া ভক্ত স্পেন-আর্জেন্টিনা ফাইনাল পুনরায় খেলানোর দাবিতে ৬২ হাজার স্বাক্ষর সংগ্রহ আর্জেন্টিনার বর্তমান দলের কারা খেলবেন ২০৩০ বিশ্বকাপ, আগেই বিদায় নিবেন যারা! কমনওয়েলথ গেমসে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা আবারও কি হবে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল ? পিটিশনের সবশেষ অবস্থা ফুটবলকে বিদায় জানালেন জনপ্রিয় আর্জেন্টাইন তারকা বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে আজ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কার্যকর ভারতে ২৬ দিনের অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

অবশেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন নিরপরাধ সেই মিনু

জেলা প্রতিনিধি, চট্রগ্রাম
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১
  • ৯০ বার

চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কুলসুম আক্তারের হয়ে জেল খাটা নিরপরাধ মিনু প্রায় ৩ বছর পর চট্টগ্রাম কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
বুধবার বিকেল ৪টার দিকে কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। মিনু আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল ৪টার দিকে কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। পরে স্বজনদের সঙ্গে বাড়ি ফিরে যান তিনি।
এর আগে হাইকোর্টের আদেশের পরে মিনু আক্তার আইনজীবী চট্টগ্রাম আদালতে মিনুর আক্তারের মুক্তির জন্য আবেদন করেন।
বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালত মিনুকে মুক্তির আদেশ দেন। এরপর বিকেল ৪টার দিকে তিনি মুক্তি পান।
আদালত সূত্র জানায়, মোবাইল ফোন নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে ২০০৬ সালের ৯ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের রহমতগঞ্জ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় পোশাককর্মী কোহিনুর বেগমকে হত্যা করা হয়। ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর এ মামলার রায়ে কুলসুমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। রায়ের দিন কুলসুম আদালতে অনুপস্থিত থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
প্রকৃত আসামি কুলসুমা আক্তার মামলার সাজা হওয়ার আগে ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত কারাগারে ছিলেন। সাজা ঘোষণা হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১২ জুন কুলসুমা সেজে মিনু আক্তার কারাগারে আসেন। চলতি বছরের ২১ মার্চ চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের পক্ষ থেকে আদালতে একটি আবেদন করা হয়। এই আবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে কারাগারে পাঠানো আসামির সঙ্গে প্রকৃত আসামির মিল নেই। এছাড়া কারা রেজিস্ট্রারে থাকা দুজনের ছবির মিল নেই।
এ আবেদনের শুনানি শেষে কারাগারে থাকা মিনুকে আদালতের হাজির করে তার জবানবন্দি নেয়। তখন তিনি জানান, তার নাম মিনু, তিনি কুলসুম নন।
আদালত কারাগারের রেজিস্ট্রারগুলো দেখে হাজতি আসামি কুলসুম ও সাজাভোগকারী আসামির চেহারায় অমিল খুঁজে পান। তখন আদালত কারাগারের রেজিস্ট্রারসহ একটি নথি হাইকোর্ট বিভাগে আপিল নথির সঙ্গে সংযুক্তির জন্য পাঠিয়ে দেয়।
পরে হাইকোর্ট গত ৭ জুন নিরপরাধ মিনুকে মুক্তির নির্দেশ দেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories