রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ব্রায়াঙ্কে ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) ব্রায়াঙ্ক অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার বোগোমাজ টেলিভিশন চ্যানেল সলোভিয়ভ লাইভে সরাসরি সম্প্রচারে এ তথ্য জানান।গভর্নর বলেন,
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর স্বার্থ জড়িয়ে থাকা এই সরু সমুদ্রপথে মাইন পাতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন করে উদ্বেগ।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ না করতে সতর্ক করেছে জার্মানি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াডেফুল বলেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা কমানোর লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চলতে পারে। একই
গত ২৪ ঘণ্টায় ইরাকে ও আশপাশের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ৩৭টি অভিযান চালিয়েছে ইরাকের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন। ইরানি বার্তা সংস্থা ইসনার বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ
ইরানের সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সৌদি আরব। রিয়াদ বলেছে, এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়বে এবং শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে ইরানই। একই
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এবং ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আইআরজিসি মোজতবা খামেনিকে অভিনন্দন জানিয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ
ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে। বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার ও ইরাক— বিভিন্ন দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বা হামলার চেষ্টা হয়েছে। এসব
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে ইরানের। দেশটির এলিট সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এ দাবি করেছে। খবর খালিজ টাইমসের।রোববার
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি গোপন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বড় পরিসরের যুদ্ধ ও সামরিক সংঘাত হলেও ইরানে ক্ষমতার কাঠামো ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা কম। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই দাবিই প্রশ্নের