বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কমিটি গঠনই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: চীফ হুইপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে দেশব্যাপী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত শিবগঞ্জে বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের হুইল চেয়ার, ছাত্রীদের বাইসাইকেল ও শিক্ষার্থীদের গাছের চারা বিতরণ পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে ১৭ কর্মকর্তার রদবদল এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের মেয়াদ ১ বছর বাড়িয়েছে সরকার ওয়াসার এমডি থেকে স্থানীয় সরকার ইনস্টিটউটের ডিজি আমিনুল সাভারে এক নারীসহ ৩জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ বাজারমুখী মিশন, বিশ্বমঞ্চে মালয়েশিয়া’ স্লোগানে কুয়ালালামপুরে নাইস এক্সপো ২০২৬ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত ছাত্রীদের সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মসজিদ নির্মাণে হাত বাড়ালো শিখ ও হিন্দুরা

আর্ন্তজাতিক ডেক্স
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১
  • ১০২ বার

ভারতের পাঞ্জাবের মোগা জেলার ভুলার গ্রাম। এখানে শিখদের সাতটি গুরুদুয়ারা রয়েছে। আছে হিন্দুদের দুটি মন্দির। কিন্তু মুসলিমদের নেই কোনও মসজিদ। গ্রামের মুসলমান ধর্মালম্বীদের কথা মাথায় রেখে হিন্দু ও শিখ সম্প্রদায়ের মানুষেরা এগিয়ে এলেন মসজিদ তৈরিতে। মসজিদটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান হয়েছে রবিবার। এতে গ্রামের সব ধর্মের মানুষের উপস্থিতি ছিল। কিন্তু বৃষ্টির তাণ্ডবে প্রায় সব আয়োজন ভন্ডুল হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত একটি গুরুদুয়ারাতে সেরে ফেলা হয় অনুষ্ঠান। সেখানে রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ভিত্তিপ্রস্তর শেষে জিলাপি ও প্রার্থনা করা হয়।

গ্রামের প্রধান পলা সিং বলেন, বৃষ্টির জন্য এই অনুষ্ঠান স্থগিত করা হতে পারে শুনে গ্রামের লোকেরা হতাশ হয়েছিল। তবে গ্রামবাসী সিদ্ধান্ত নেয় অনুষ্ঠানটি কাছের শ্রী সৎসাং সাহেব গুরুদুয়ারায় অনুষ্ঠিত হবে। এরপরে সবাই মিলে ধর্ম নির্বিশেষে সেই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।পলা সিং জানান, গ্রামে ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের আগে একটি মসজিদ ছিল। তবে সেটি সময়ের সঙ্গে ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়। গ্রামে এখন চারটি মুসলিম পরিবার রয়েছে। গ্রামে হিন্দু, মুসলিম এবং শিখ সবাই মিলেমিশে বসবাস করছে। তারা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেন, সেই মুসলিম পরিবারগুলোর জন্যে আগের মসজিদটির স্থানে নতুন করে মসজিদ নির্মাণ করা হবে। 

তিনি আরও জানান, অনেক গ্রামবাসীই মসজিদ নির্মাণের জন্য ১ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ রুপি পর্যন্ত দান করেছেন। ওয়াকফ বোর্ডের সদস্যরাও অর্থ তহবিলে অবদান রেখেছেন। গত ৭০ বছর ধরে গ্রামের লোকেরা কাউকে পর ভাবেননি। আমাদের দশম প্রার্থনার স্থান একটি মসজিদ হবে, এতে তারা আনন্দিত। গ্রামের সাবেক প্রধান বোহার সিং গুরুদুয়ারাতে বক্তব্যে জানান, মসজিদ নির্মাণে পুরো গ্রাম পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা করবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে হাজির হয়েছিলেন নায়েব শাহি ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ উসমান রহমানি লুদিয়ানভি। তিনি অনুষ্ঠানস্থলের জন্য গ্রামের মানুষকে ধন্যবাদ জানান। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories