সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হাটখ্যাত হাজির মাজার বস্তি সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির সেপ্টেম্বরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম স্থানীয় সরকার নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ স্পিকারের সঙ্গে আইপিইউ মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপের সাক্ষাৎ ফেডারেশন কাপ তায়কোয়ানডোয় যৌথ চ্যাম্পিয়ন সেনাবাহিনী-বিজিবি গাইবান্ধা, রংপুর ও কুড়িগ্রামে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানে কোনো ঝুঁকি দেখছে না ঢাকা : হুমায়ুন

২০০ মার্কিন নাগরিককে কাবুলে ফেলে গেছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১
  • ৯৭ বার

২০ বছরের যুদ্ধ শেষে চূড়ান্তভাবে আফগানিস্তান ছেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবশেষ ৫টি ফ্লাইট আফগান ভূখণ্ড ছেড়ে যায় বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। তবে চূড়ান্তভাবে আফগানিস্তানের ভূখণ্ড ছাড়লেও কাবুলে প্রায় ২০০ মার্কিন নাগরিক ও দেশ ছাড়তে ইচ্ছুক হাজার হাজার আফগানকে ফেলে রেখে গেছে যুক্তরাষ্ট্র।বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার মার্কিন সামরিক বাহিনী চূড়ান্তভাবে আফগান ভূখণ্ড ছাড়লেও কাবুলে প্রায় ২০০ মার্কিন নাগরিককে ফেলে রেখে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে দেশ ছাড়তে ইচ্ছুক হাজার হাজার আফগান নাগরিককেও ফেলে রেখে গেছে দেশটি। কাবুল ছাড়ার জন্য তাদের এখন তালেবানের অনুমতির ওপর নির্ভর করতে হবে বলেও জানিয়েছে এপি।

এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্তভাবে আফগানিস্তান ছাড়লেও দেশটিতে থাকা মার্কিন নাগরিক ও আফগানদের বের করে আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাবে ওয়াশিংটন। এ ছাড়া কাবুল বিমানবন্দর ফের চালু হলে বিমানের মাধ্যমে বা স্থলপথে তাদের বের করে আনতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবেশীদের সঙ্গে কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, কাবুলের মার্কিন কূটনৈতিক মিশন স্থগিত করে দোহায় নিয়ে যাওয়া হলেও, আমেরিকান নাগরিক এবং যে আফগানদের যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট রয়েছে, তারা চাইলে তাদের আফগানিস্তান ছাড়তে সহায়তা করা হবে।ওয়াশিংটনে তিনি বলেন, এটি ছিল ব্যাপক সামরিক, কূটনৈতিক এবং মানবিক কর্মযজ্ঞ এবং যা যুক্তরাষ্ট্র অনেক চ্যালেঞ্জের সাথে বাস্তবায়ন করেছে। তার ভাষায়, ‘নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হলো। সামরিক মিশন সমাপ্ত হয়ে নতুন এক কূটনৈতিক মিশন শুরু হলো।’তবে ব্লিংকেন এটিও বলেছেন যে, তালেবানকে বৈধতা অর্জন করতে হবে। সেই সঙ্গে তারা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে কি না এবং নাগরিকদের ভ্রমণে স্বাধীনতা দেওয়া, নারীদের অধিকার রক্ষা এবং সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে দমন করছে কি না-এসব বিষয় বিশ্ববাসীর নজরে থাকবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories