পুলিশ যেমন মানব সেবা করেন ঠিক তেমনী সংবাদকর্মীরা। সংবাদকর্মীরা তবে কার বা কাদের বন্ধু ? জানতে ইচ্ছে করে খুব। দু-চার টা নামধারী সংবাদকর্মীর কারণে সকল সংবাদকমীরা কি অপ-সাংবাদিকতায় জড়িত ? নিশ্চয়ই না। ভাত খেলে ভাত পড়বেই। সমাজের সকল শ্রেনী পেশার মধ্যেই ভালো মন্দ ছিলো, আছে, থাকবে। যেমনটা পুলিশের মধ্যেও আছে। পুলিশের ভালো কাজের কথা লিখলে একজন সংবাদকর্মীকে এ সমাজে হতে হয় দালাল। আর মন্দ কাজের জন্য বিপক্ষে লিখলে একজন সংবাদকর্মী হয়ে যায় “অপ-সাংবাদিক বা চাঁদাবাজ। সংবাদকর্মী আর পুলিশের মধ্যে পার্থক্য শুধু ‘পুলিশ সরকারী নিয়োগপ্রাপ্ত একজন বেতনভূক্ত ও পােষাকধারী এবং আত্বরক্ষার্থে অস্ত্রধারীও বটে। আর একজন সংবাদকর্মী বে-সরকারী পোষাকবিহীন বা আত্বরক্ষার্থে কোন অস্ত্র নেই, বেতন নামমাত্র। একজন সংবাদকর্মীর একমাত্র অস্ত্র বলতে কলম আর ক্যামেরা। বর্তমান সময়ের সংবাদকর্মীরা ঘর থেকে রাস্তা, রাস্তা থেকে অফিস সর্বত্র অবহেলিত। এর জন্য দায়ী সংবাদপত্র কর্তৃপক্ষ এবং রাষ্ট্র। রাষ্ট্র অবাধ তথ্য প্রবাহ বিস্তারে নামে বেনামে হাজার হাজার সংবাদপত্র অবমুক্ত বা অনুমোদন করে দেয়ায় এবং সুনির্দিষ্ট নীতিমালা এবং বেতনভাতা পর্যাপ্ত না করায় শিক্ষা দীক্ষাহীন সংবাদকর্মীর জন্ম হচ্ছে অহরহ। ফলে বিভিন্ন বিড়ম্ভনায় পড়তে হচ্ছে সংবাদকর্মীদের। অথচ, সাদা পোষাকে কিংবা পোষাকে পুলিশের কতিপয় সদস্যরা “আন্ধার রাতে ধান্ধা” করেন তা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলেই স্থানীয় সংবাদকর্মীরা হয়ে যায় “অপ-সাংবাদিক” বা “ধান্ধাবাজ”। আর পুলিশ যখন অর্হনিশি পোষাকে বা সাদা পোষাকে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, ছিনতাইসহ স্থানীয় আইনশৃংঙ্খলা নিয়স্ত্রনের নামে অহরহ ধান্ধা করেন তখন সেটা হয় কর্তব্য। আর এসব নিয়ে লেখালেখি করলে সংবাদকর্মীরা হয় অপেশাদার অপ-সাংবাদিক বা চাঁদাবাজ। সম্প্রতি টঙ্গী পূর্ব এবং পশ্চিম থানা এলাকায় এমনটাই লক্ষ্য করা যাচ্ছে প্রায়ইশ। সারাদেশে যখন মাদকের ভয়াবহতার সৃষ্টি হয়েছে, তখন বর্তমান সরকার মাদককে জিরো ট্রলারেন্সে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে গত কয়েক মাসে গাজীপুরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ দিনরাত পরিশ্রম করে মাদককে অনেকটাই নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন এটা যেমন সত্যি, আবার এটাও সত্যি যে, কতিপয় পুলিশ সদস্যরা ২/৩ জন মিলে সাদা পোষাকে মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে কোন না কোন ভাবে যোগােযাগের মাধ্যমে বখরা আদায়, মাদক ব্যবসায়ী ছিনতাইকারীদের ধরে ছেড়ে দেয়া, এলাকার বিভিন্ন দেহব্যবসায়ীদের সাথে সু-সম্পর্ক স্থাপন করে তাদের মাধ্যমে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করার মাধ্যমে টু-পাইস কামিয়ে নেয়া যেন কর্তব্য কাজের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব নিয়ে লিখতে বা বলতে গেলেই ওইসব পুলিশ সদস্যদের রােষানলে পড়তে হচ্ছে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের।
টঙ্গী পশ্চিম এবং পূর্ব থানায় নতুন পুরাতন মিলিয়ে এমন ৭/৮ জন পুলিশ সদস্যের কর্মকান্ডে স্থানীয় সাধারণ মানুষ বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা যখন মাদক ছিনতাই চুরি সন্ত্রাস চাঁদাবাজি খুন হত্যা ধর্ষন নিয়ন্ত্রনে বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন। তখন কতিপয় পুলিশ সদস্যরা সেইসব উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবজ্ঞা করে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনের পরিবর্তে “আন্ধার রাতের ধান্ধা” নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। যা নিন্দনীয় বটে। ধারাবাহিক—–
Leave a Reply