শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফেনীর মহুয়া-কহুয়া সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন বাহিনী সমন্বিত ভাবে কাজ করবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে কমিশন জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এমপি পদ থেকে মিষ্টির পদত্যাগ কক্সবাজারে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ৪৭ বস্তা সার জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর সাপাহারে হাফেজিয়া মাদ্রাসা’ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগ, পরিচালক গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর আরও দ্রুত হওয়া উচিত: দীনেশ ত্রিবেদী

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৩ বার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর আরও দ্রুত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
তিনি বলেছেন, দুই দেশের সরকারপ্রধান সরাসরি বৈঠকে বসলে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন সমস্যা ও মতপার্থক্য সহজে সমাধান করা সম্ভব হবে।
রোববার রাতে রাজধানীর বাংলাদেশে আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তার স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত নৈশভোজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বৈঠকের মাধ্যমেই কেবল সমস্যা গুলোর সমাধান করা সম্ভব। আমি এ বিষয়ে খুবই আশাবাদী।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি একটি সোনালি অধ্যায় দেখতে চান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ। দুই দেশেরই নিজেদের সমস্যা, মতপার্থক্য ও বিরোধ রয়েছে। তবে আলোচনার মাধ্যমে এসব বিষয় সমাধান করা সম্ভব।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আমাদের নিজেদের জায়গা দরকার। আমাদের মতপার্থক্য আছে, তর্ক-বিতর্কও আছে। এতে সমস্যা নেই। তবে দুই দেশকে পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদা বজায় রেখে অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘জনগণের নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দুই নেতা বৈঠকে বসলে দুই দেশের অনেক অমীমাংসিত বিষয় সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, এমন দুই নেতা যখন একসঙ্গে বসে কথা বলেন, তখন এমন কোনো সমস্যা নেই, যা আলোচনা করা যায় না বা সমাধান করা যায় না।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত শুধু একটি সীমান্ত ভাগ করে না, দুই দেশের একটি অভিন্ন স্বপ্নও রয়েছে। তাই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে হবে।
মাসুদ জামিল খান বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এখন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যোগাযোগ, জ্বালানি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, নিরাপত্তা, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়েছে। অবশ্যই আরও অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। একই সঙ্গে আমাদের চ্যালেঞ্জগুলোকেও স্বীকার করতে হবে।
নৈশভোজে ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সাবেক কূটনীতিক, ব্যবসায়ী এবং সাবেক বেসামরিক ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শনিবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে জনগণের মধ্যে যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি বাণিজ্য, যোগাযোগ, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান। অভিন্ন সমৃদ্ধির জন্য দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করার কথাও বলেন তিনি।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম বৈঠককে ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানিয়েছিলেন, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ এখনো বহাল রয়েছে।
তিনি তখন আরও বলেছিলেন, দুই নেতা একসঙ্গে বসলে ইতিবাচক আলোচনা হবে-এ বিষয়ে আমরা আশাবাদী।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories