মার্চ টু ঢাকা’র অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির রায়ে দণ্ডিত শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনের দিকে আসতে থাকেন লাখো মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি দেশ ছেড়ে পালান হাসিনা। শত শত মানুষের মৃত্যুর শোকে শোকাহত ছাত্রজনতা সেদিন হাসিনার পতন ঘটান।
কী করেছিল ভারত
শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর ভারত তাৎক্ষণিকভাবে ওইদিন কোনো মন্তব্য করেনি। কিন্তু তারা বাংলাদেশের সঙ্গে থাকা ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি করেছিল।
যুক্তরাজ্য
হাসিনার পলায়নের পর যুক্তরাজ্যের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের সরকার একটি বিবৃতি দেয়। এতে স্টারমারের মুখপাত্র বলেন, “ছাত্র, শিক্ষক এবং আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর অনেক সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকার অবশ্যই রক্ষা করতে হবে এবং এতে কোনোভাবেই সহিংসতা চালানো যাবে না। একইসঙ্গে আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি—আটক সব শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীকে অবিলম্বে মুক্তি দিন এবং যাদের বিরুদ্ধে মামলা বা বিচার প্রক্রিয়া চলছে, তাদের ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করুন ।
দেশটির তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড লামি বলেছিলেন, “বাংলাদেশের মানুষের অধিকার রয়েছে গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনাগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন তদন্ত পাওয়ার।
Leave a Reply