খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির (খুবিসাস) ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী অডিটোরিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম (উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়) বলেন, কারোর বিষয়ে কোনো কিছু না জেনে তথ্য প্রকাশ করে দেয়া যাবে না। অবশ্যই ফ্যাক্টচেকিং করতে হবে। নিউজ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যগুলো বারবার চেক করতে হবে, যাতে কোনো ভুল তথ্য কারও হয়রানির কারণ না হয় এবং সাংবাদিকদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে।
সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা জানান, সূচনালগ্ন থেকেই খুবিসাস কেবল সংবাদ পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার একটি আদর্শ মডেল প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর তুলে ধরা এবং সমাজের প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সংগঠনটি যাত্রা শুরু করার সময় ক্যাম্পাসে সাংবাদিকতার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ছিল না। তবে শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সংবাদ প্রকাশ, শিক্ষার্থীদের মতামত ও দাবিগুলো তুলে ধরা এবং ক্যাম্পাসের পরিবেশ ও সংস্কৃতির যথাযথ প্রতিফলন ঘটানো।
খুবিসাসের সভাপতি আলকামা রমিন বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির গৌরবময় ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। এই দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। পাঁচ বছর আগে এই সমিতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছে। আমরা সেই যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করেছি। খুবিসাস সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ, উন্নয়নে এবং জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সপ্তম বর্ষে পদার্পণ আজ আমাদের সব সদস্য ও সিনিয়রদের জন্য আনন্দের দিন। মাত্র ছয় বছরে সংগঠনটি নানা চড়াই-উতরাই, প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিকূলতা অতিক্রম করে আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে। আমি বিশ্বাস করি, আগামী দিনগুলোতে সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। বর্তমান ও আগত জুনিয়র সদস্যরা আরও দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর ড. হারুনুর রশিদ খান (উপ-উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ নুরুন্নবী (ট্রেজারার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়), প্রফেসর ড. মুহাম্মদ নাজমুল সাদাত (ছাত্র বিষয়ক পরিচালক খুবি), সহযোগী অধ্যাপক, সারা মনামী হোসেন (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়)।
Leave a Reply