পঞ্চাশতম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিএসসি সচিবালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান।
পিএসসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়ে সম্ভাব্য ফল প্রকাশ করা হবে ৩০ জুলাই। এরপর ১০ আগস্ট থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে এবং ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত ফল প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশন এক বছরের মধ্যে পুরো বিসিএস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নিয়েছে।
এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ফলে ১২ হাজার ৩৮৫ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হন।
৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৭৫৫টি এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫টিসহ মোট ২ হাজার ১৫০টি পদে নিয়োগ দেয়া হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬৫০ জন নেয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে, প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন এবং শিক্ষা ক্যাডারে ১৮৫ জন নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।
এই বিসিএসের প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষা দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। মৌখিক পরীক্ষা হবে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে। কেন্দ্র পরিবর্তনের কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
শ্রুতিলেখকের জন্য আবেদন ১০ মার্চের মধ্যে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেসব প্রতিবন্ধী প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষায় শ্রুতিলেখক প্রয়োজন, তাদের চাহিদা অনুযায়ী পিএসসি শ্রুতিলেখক নিয়োগ করবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের আগামী ১০ মার্চ অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার), বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকার ঠিকানায় আবেদন করতে হবে।
আবেদনপত্রের সঙ্গে অনলাইন আবেদনপত্রের (BPSC Form-1) কপি, দুই কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের ছবি, সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে প্রদত্ত প্রতিবন্ধিতার সনদ বা সুবর্ণ নাগরিক সনদ এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন না করলে শ্রুতিলেখক নিয়োগ করা সম্ভব হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আবেদনকারীকে কেবল পিএসসি অনুমোদিত শ্রুতিলেখকের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
Leave a Reply