সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন, ৩ নার্সকে বদলি স্বাধীন দেশে কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না : রাষ্ট্রপতি বিইউপি’র পশ্চিম ক্যাম্পাসে নবনির্মিত তিনটি ভবন উদ্বোধন সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠছে পে স্কেল, বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সাত নির্দেশনা সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া নাফ নদীতে বিজিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ ৩ মাদক পাচারকারী আটক রাজধানী ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ডিএমপিতে রদবদল, নতুন দায়িত্বে ৮ ডিসি-এডিসি

দিল্লির বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা জারি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫১ বার

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির লালকেল্লার আশপাশে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা এবং উত্তর ভারতের একাধিক মন্দিরে হামলার সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রের তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। এমন পরিস্থিতিতে দিল্লিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাডু থেকে মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত এবং তারা পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তা পেয়ে থাকতে পারে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ শহীদ ও মোহাম্মদ উজ্জ্বল। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত একজন বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও ১৬টি সিম কার্ডও উদ্ধার করা হয়েছে।
তামিলনাডুর তিরুপুর জেলার একটি গার্মেন্টস কারখানা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এই চক্রটি ভারতের বিভিন্ন এলাকায় হামলার পরিকল্পনা করছিল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
এর আগেই ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সতর্ক করেছিল, দেশজুড়ে স্থানীয় সেল গঠন করে ধারাবাহিক হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। গোয়েন্দা সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়, লস্কর-ই-তইয়েবা লালকেল্লার আশপাশে হামলার ছক কষছিল।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠনের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছিল অভিযুক্তরা। তারা ভুয়া আধার কার্ড ব্যবহার করে নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করতো।
তদন্তকারীরা আরও জানান, স্থানীয় সেল গঠনের লক্ষ্যে অভিযুক্তরা দেশের বিভিন্ন শহরে রেকি বা নজরদারি চালাচ্ছিল। এআই সামিট চলাকালে অভিযুক্তদের চারজন দিল্লিতে এসে বিভিন্ন স্থানে ‘ফ্রি কাশ্মীর’ পোস্টার লাগায়। পরে তারা আবার তামিলনাডু ও পশ্চিমবঙ্গে ফিরে যায়।
পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমেই নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখত। গত কয়েক মাস ধরে আইএসআই ভারতের ভেতরে স্থানীয় মডিউল গড়ে তুলে হামলা চালানোর চেষ্টা করছে।
এদিকে আরেকটি গোয়েন্দা সতর্কবার্তায় উত্তর ভারতের বিভিন্ন মন্দিরে হামলার সম্ভাব্য পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রে অভিযুক্তদের ভূমিকা এবং কোথায় কোথায় নজরদারি চালানো হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories