বিশ্বজুড়ে রুশ তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি এ নিয়ে ভেনেজুয়েলা উপকূলে একাধিক তেল ট্যাংকার জব্দও করেছিল ওয়াশিংটন। এসব হুমকি ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ কিউবায় তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে মস্কো।
বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হাভানায় নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ভিক্টর করোনেলি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিকবার কিউবায় রুশ তেল পাঠানো হয়েছে এবং এই ধারা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।
গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে “জাতীয় জরুরি অবস্থা” ঘোষণা করেন এবং কিউবায় তেল বিক্রি বা সরবরাহকারী দেশগুলোর পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেন। এমন কঠোর সিদ্ধান্তের পর ওয়াশিংটনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই পদক্ষেপের কথা জানাল মস্কো।
এর আগে চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র আটক করার পর ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার দেয়া আর্থিক ও জ্বালানি সহায়তা হারালে কিউবা খুব শিগগিরই ভেঙে পড়বে। তিনি আরও বলেন, তার প্রশাসন বর্তমানে কিউবার নেতৃত্বের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনায় রয়েছে।
ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়া জানিয়েছে, তারা সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে। এ ধরনের পদক্ষেপ সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য বলেও দাবি করে মস্কো। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, ‘আমরা হাভানার বিরুদ্ধে আরোপিত অবৈধ ও দমনমূলক পদক্ষেপ এবং কিউবার নেতৃত্ব ও জনগণের ওপর চাপ প্রয়োগের তীব্র নিন্দা জানাই।
Leave a Reply