শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতেই এবারের গণভোট: আলী রীয়াজ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬১ বার

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশ যাতে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থায় আর কখনও ফিরে না যায়, সে জন্যই এবারের গণভোট। বুধবার (জানুয়ারি) গণভোট বিষয়ে দিক নির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের ১৭ হাজার কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীর জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং আওতাধীন সকল দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা ও মাঠ কর্মীরা ভার্চুয়ালি এই সভায় অংশ নেন।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটের এই সুযোগ আগামী ৫ বছর বা ১০ বছরে আর আসবে না। ভবিষ্যতের বাংলাদেশ কীভাবে চলবে, তা ঠিক করে দেয়ার এই সুযোগকে কাজে লাগাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের যে কয়টি মন্ত্রণালয়ের উপজেলা-ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে জনবল আছে, তাদের মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় অন্যতম। জনগণের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের মধ্য দিয়ে গণভোট বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
গণভোট-সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক আলী রীয়াজ বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ও বিগত ১৬ বছরের সংগ্রামে হাজারো মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। আমরা যাতে আগের অবস্থায় ফিরে না যাই তারা সেই ব্যবস্থা করার দায়িত্ব দিয়ে গেছেন।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী বলেন, গণভোটকে আপনারা মানুষের কাছে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করুন। গণভোটকে হ্যাঁ-না ভোট হিসেবে উপস্থাপনের পরামশর্ও দেন তিনি। পাশাপাশি এর ফলে কী কী পরিবর্তন আসবে, তা সময় নিয়ে মানুষকে বুঝিয়ে বলার নির্দেশনা দেন।
প্রধান উপদেষ্টার আরেক বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ দেখতে চাই। গত ৫৪ বছরেও এই অতি সাধারণ আকাঙ্ক্ষা পূরণে খুব বেশি অগ্রগতি হয়নি।
তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সবাই উপলব্ধি করেছি যে শাসন ও সাংবিধানিক ব্যবস্থার একটি বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। আগামীতে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা যাতে ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করতে সবাইকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণভোটে অংশ নিতে হবে।
এ সময় তিনি গণভোট বিষয়ে জনমত সৃষ্টির জন্য প্রস্তুতকৃত লিফলেটের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো কর্মকর্তাদের সামনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব জানান, গণভোট বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তুলতে মন্ত্রণালয় ও দপ্তর-সংস্থাগুলো ড্রপ-ডাউন ব্যানার স্থাপন, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় লিফলেট প্রস্তুত ও বিতরণ, কৃষি তথ্য সার্ভিসের মোবাইল ভ্যান ও আঞ্চলিক রেডিও সেন্টার থেকে প্রচার, প্রকল্প এলাকায় সচেতনতা সৃষ্টিতে সভা-সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষি বিভাগের ২৪/৭ হটলাইন সার্ভিস গণভোট বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories