শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

পৌনে দু’শো আন্দোলন সামলেও আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে সমালোচনায় সরকার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২৭ বার

একের পর এক দাবি দাওয়ার আন্দোলন আর বেহাল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। সবচেয়ে ভুগিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারকে। এক বছরে পৌনে দুশো আন্দোলন মোকাবিলা করতে গিয়ে রীতিমতো খাবি খেয়েছে ড. ইউনূসের প্রশাসন। আর, জনজীবনের নিরাপত্তা ইস্যুও প্রশ্নবিদ্ধ দারুণভাবে করেছে তাদের।
অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ যখন নেতৃত্ব শুন্যতায় গভীর সংকটে, তখন ৭ আগস্ট সবার আশার আলো হয়ে আসেন নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নিয়ে ঠিকমতো দাঁড়াবার আগেই, তার কাছে আশা আর আবদারের ডালা নিয়ে হাজির সবাই।
রিকশাচালক থেকে শিক্ষক-চিকিৎসক, বিসিএস থেকে আনসার-বিডিআর। রাজপথে প্রায় প্রতিদিনই দাবি-দাওয়ার আন্দোলন নাকাল করে তোলে সরকারকে। কখনও কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, কখনও আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন। বিচিত্র সব আন্দোলন সামলাতে ঘাম ছুটে যায় ইউনূস সরকারের। একটি সমাধান করে কোমর সোজা করতে না করতেই, হাজির হয় আরেকটি।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আগে তো এ আন্দোলন করারও অধিকার ছিল না, আপনি আসলেন আন্দোলন করলেন আপনার ওপর গুলি চালিয়ে দিল। সে জায়গায় তো আমরা নেই, আমরা প্রত্যেকটা জায়গায় নিশ্চিত করেছি সবাইর যেন সমাবেশ করার স্বাধীনতা থাকে, সংগঠিত হওয়ার স্বাধীনতা থাকে।
এক বছরে পৌনে দু’শো আন্দোলন সামাল দিয়ে কিছুটা বাহবা কুড়ালেও আইনশৃঙ্খলার অবনতি সমালোচনার মুখে ফেলে সরকারকে। একের পর এক ছিনতাই-ডাকাতিতে অনেকটাই অনিরাপদ হয়ে ওঠে ঢাকা শহর। পুলিশের তথ্য বলছে, গত এক বছরে শুধু ডাকাতেই খুনের মামলা হয়েছে ৩৯৭টি, ছিতনাই ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে ৭৩৩টি। তবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নি
শফিকুল আলম আরও বলেন, আমরা মনে করি ‘ল এন্ড অর্ডার’ পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো। বাংলাদেশে এখন পিস এন্ড স্ট্যাবিলিটি আছে। আপনারা আগের পরিসংখ্যান দেখেন গতবছর বা আগের বছর তার তুলনায় আমরা অনেক ভালো আছি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশের ভেঙে পড়া মনোবল ও ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া আমলা কাঠামো ভুগিয়েছে সরকারকে। সেইসাথে, শুরুতেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পরিবর্তন ও বর্তমান উপদেষ্টার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্নও কম নয়।
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি। প্রথমদিকে যেটা ছিল সেটা খারাপ ছিল। ফ্যাসিস্ট সরকারের যে লোকগুলো ছিল তারা অনেক জায়গায় এখনো আছে। তারা যদি সেখানে বসে থাকে তাহলে তো পরিবর্তন আসবে না।
অন্যদিকে দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, মব ভায়োলেন্সের ভয়েই আমাকে কাবু থাকতে হচ্ছে। সে কারণে কোনো সংবাদ কর্মী সাহস করছে না আর আমি একজন সম্পাদক হিসেবে আমি নিজেও এটাকে উৎসাহ দিচ্ছি না। ফলে একধরনের আপোষের মধ্যেই চলছে।
শিক্ষক ও গবেষক আসিফ বিন আলী বলছেন, সরকার আরও কিছু জায়গায় কাজ করতে পারতো। তার মধ্যে একটা হচ্ছে জননিরাপত্তা। জননিরাপত্তার ক্ষেত্রে এ সরকার যথেষ্ট পিছিয়ে আছে।
এছাড়া, দুর্ঘটনা মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়ে সরকার। বিশেষ করে, মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনায় সমন্বয়হীনতা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার নিলিপ্ততায় সমালোচনার কুড়াতে হয় ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories