বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রমে ট্রাকের ধাক্কায় গাজীপুরে অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ পুলিশের ৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো হবে কি না সিদ্ধান্ত হয়নি: রেলমন্ত্রী এ বছর নয়, আগামী বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন : প্রতিমন্ত্রী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের প্রস্তুতি হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে : রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিদিন ‘ঘি’ খাওয়ার ৭ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৫২ বার
প্রতিদিন ‘ঘি’ খাওয়ার ৭ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ঘি বা পরিশোধিত মাখন বহু বছর ধরেই ভারতীয় উপমহাদেশের রান্নায়, বিশেষ করে আয়ুর্বেদিক খাদ্যচর্চায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি হজম শক্তি বাড়ানো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করা এবং শরীর পুষ্ট রাখতে সহায়ক হিসেবে পরিচিত। অনেকেই মনে করেন, প্রতিদিন ঘি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কিন্তু এই ঘি অতিরিক্ত খেলে শরীরের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বাড়িয়ে দিতে পারে ওজন, হৃদরোগের ঝুঁকি এবং হজমের সমস্যা। চলুন জেনে নেই প্রতিদিন অতিরিক্ত ঘি খাওয়ার ৭টি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
১. হৃদরোগের ঝুঁকি
ঘিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরে এলডিএল বা ‘খারাপ কোলেস্টেরল’ বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে বাড়ে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি। বিশেষ করে যাদের কোলেস্টেরল বেশি বা আগে থেকেই হৃদরোগ রয়েছে, তাদের জন্য দিনে ১ চামচের বেশি ঘি না খাওয়াই ভালো।
২. ওজন বৃদ্ধি ও মেটাবলিক সমস্যা
প্রতি টেবিল চামচ ঘিতে থাকে প্রায় ১২০–১৩০ ক্যালোরি। অতিরিক্ত ঘি খাওয়ার ফলে বাড়তে পারে ওজন, স্থূলতা ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো মেটাবলিক সমস্যা। বিশেষ করে যারা খুব একটা শারীরিক পরিশ্রম করেন না, তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।
৩. হজমের সমস্যা
যদিও ঘি প্রচলিতভাবে হজমে সহায়ক হিসেবে পরিচিত, তবে অতিরিক্ত খেলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে হতে পারে গ্যাস, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া কিংবা অজীর্ণতা। বিশেষ করে কমার্শিয়াল বা ভেজাল ঘি খেলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।
৪. লিভারের ওপর চাপ ও রক্তে শর্করার প্রভাব
অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় খাবার লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে। যাদের ফ্যাটি লিভার, হেপাটাইটিস বা ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের জন্য ঘি রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়িয়ে দিতে পারে।
৫. অ্যলার্জি বা সংবেদনশীলতা
ঘি-তে দুধের প্রোটিনের পরিমাণ কম হলেও সামান্য ট্রেস থাকতে পারে, যা অ্যালার্জির জন্য সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। হতে পারে চুলকানি, ফুসকুড়ি, মুখ ফুলে যাওয়া বা হজমের সমস্যা।
৬. প্রদাহ বাড়াতে পারে
ঘি-তে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরে প্রদাহ বাড়িয়ে দিতে পারে, যা আর্থ্রাইটিস বা অন্যান্য প্রদাহজনিত রোগের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর।
৭. অন্ত্রের জীবাণু ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে
অতিরিক্ত ঘি খাওয়া শরীরের উপকারী গাট ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। ফলে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং দেখা দিতে পারে হজমের নানা সমস্যা।
যাদের জন্য ঘি কম খাওয়াই ভালো

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories