শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মানবাধিকার মিশন চালু জবাবদিহির প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন: প্রেস উইং

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৬১ বার

বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও বিকাশের লক্ষ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের মিশন চালু করতে তিন বছরের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে দুই পক্ষ।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, এই মিশন চালুর উদ্দেশ্য হলো সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি সংগঠনগুলোর জন্য প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করা, যার মাধ্যমে তাদের সক্ষমতার উন্নয়ন, আইনি সহায়তা ও প্রাতিষ্ঠানিকতা শক্তিশালী হবে। এছাড়া বাংলাদেশকে তার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের বাধ্যবাধকতা পূরণে সহায়তা করাও এর লক্ষ্য।
প্রেস উইং জানায়, এই উদ্যোগ বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে সংস্কার ও জবাবদিহির প্রতি সরকারের অব্যাহত প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আমরা স্বীকার করি, বাংলাদেশে কতিপয় গোষ্ঠী জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ভাবাদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে গঠিত সমাজ। আমরা নাগরিকদের কাছ থেকে এমন প্রতিক্রিয়া পেয়েছি, যে কোনো আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব যেন এসব মূল্যবোধের প্রতি সম্মান দেখায়। সেই কারণে (ওএইচসিএইচআর)-এর এই মিশন মূলত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ ও প্রতিকার— যেমন পূর্ববর্তী সরকারের দ্বারা সংঘটিত অপরাধগুলো—নিশ্চিত করার ওপর কেন্দ্রীভূত থাকবে। এটি এমন কোনো সামাজিক এজেন্ডা প্রচারে ব্যবহৃত হবে না যা দেশের প্রথাগত আইনি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর বাইরে পড়ে। আমরা আশা করি, এই মিশন সর্বদা স্বচ্ছতা এবং স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বজায় রাখবে। জাতিসংঘ বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বাস্তবতাকে পূর্ণ সম্মান জানিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সরকার জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হলে নিজ সিদ্ধান্তে সমঝোতা থেকে সরে আসার সার্বভৌম কর্তৃত্ব সংরক্ষণ করে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, যদি এমন একটি কার্যালয় পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময়ে বিদ্যমান থাকত, যখন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও জনসমক্ষে গণহত্যা অবাধে সংঘটিত হয়েছিল, তাহলে অনেক অপরাধই যথাযথভাবে তদন্ত, নথিভুক্ত এবং বিচার প্রাপ্ত হতে পারত। আজকের মানবাধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি অবশ্যই আদর্শ নয়, ন্যায়বিচারের ওপর ভিত্তি করে হতে হবে।
সরকার এই অংশীদারিত্বকে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করা এবং আমাদের নাগরিকদের সুরক্ষা বাড়ানোর একটি সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করছে— যা আমাদের মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত, আমাদের আইন দ্বারা গঠিত এবং আমাদের জনগণের কাছে জবাবদিহিবদ্ধ থাকবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories