মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইইউয়ের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শিগগিরই : বাণিজ্যমন্ত্রী চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল: ইসি আনোয়ারুল হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি নিরাপত্তার রোডম্যাপে নতুন প্রকল্প, পুরোনো সংকটের কী হবে রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরকীয়া সম্পর্ক ফাঁস হওয়ায় কচুয়ায় একই পরিবারের তিনজনকে হত্যা লক্ষ্মীপুর রায়পুরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগে যুবক আটক উলিপুরকে মডেল উপজেলা গড়তে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান এমপি সালেহী রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও পৌঁছেছেন

টঙ্গীতে শিশু ধর্ষণের ঘটনা মীমাংসার চেষ্টা স্থানীয়দের

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫
  • ১০৭ বার

টঙ্গীতে এক শিশু কন্যা (৯) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২৮ ফেব্রুয়ারী টঙ্গীর শিলমুন পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রায় এগারো দিন পর নির্যাতিতা শিশুটির বাবা বাদি হয়ে টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম রুহুল আমিন(৩৫)।সে মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী থানার পশ্চিম বেতকা গ্রামের আব্দুল মজিদ মিয়ার ছেলে। ঘটনার পর থেকেই রুহুল আমিন পলাতক রয়েছে। তিনি টঙ্গীর শিলমুন পশ্চিমপাড়া এলাকার জনৈক মজিবুর রহমানের ভাড়া বাড়ির ভাড়াটিয়া বলে জানা গেছে।
থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মো.এহতেশাম নির্যাতিতা ওই শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুরস্থ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রুহুল আমিন পেশায় একজন মুড়ি বিক্রেতা। নির্যাতিতা শিশুটি ওই এলাকার একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের সাথে বাস করতো। রুহুল আমিন শিশুটি নিয়ে পার্শবর্তী জনৈক মজিবুরের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে শিশুকে নিজ কক্ষে ময়লা পরিষ্কার করতে ডেকে নিয়ে যায় রুহুল আমিন ।পরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।পার্শ্ববর্তী ভাড়াটিয়ারা বিষয়টি জানতে পারলে রুহুল আমিন পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় প্রভাবশালী মতিউর রহমান মতি নামক এক ব্যক্তি ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সালিশের আয়োজন করেন।সালিশে নির্যাতিতা শিশুটির বাবাকে ১ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেবার আশ্বাস দেয়া হয়। এ ঘটনার এগারো দিন পর নির্যাতিতা শিশুটির বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন।
নির্যাতিতা শিশুটির বাবা বলেন, নির্যাতনের ঘটনার পর স্থানীয় মতিউর রহমান ওরফে কারেন্ট মতি ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আমাকে দেড় লাখ টাকা দেবার কথা জানায়। আমি টাকা না নিয়ে থানায় মামলা করেছি। এতে মতি আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে।
বিষয়টি জানতে মতিউর রহমান মতির মুঠোফোন যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন,এ ঘটনায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা করা হয়েছে।তবে সালিশ বসিয়ে টাকা লেনদেনের বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories