রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদাবাজি রোধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ: আইজিপি প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা এনআইডি সংশোধনে ইসির বড় অগ্রগতি, ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন কমিটির নবম বৈঠক শুরু ঢাকা-কক্সবাজার রোডে নতুন ট্রেন, জেনে নিন সময়সূচি লন্ডনে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ভাইয়ের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট অবরুদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিবের অফিস স্টাফ পরিচয়ে প্রতারণা, নাটোরে গ্রেপ্তার-১ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাত রয়েছে: রিজভী সরাইলে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-২

টঙ্গীতে শিশু ধর্ষণের ঘটনা মীমাংসার চেষ্টা স্থানীয়দের

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫
  • ১১৩ বার

টঙ্গীতে এক শিশু কন্যা (৯) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২৮ ফেব্রুয়ারী টঙ্গীর শিলমুন পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রায় এগারো দিন পর নির্যাতিতা শিশুটির বাবা বাদি হয়ে টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম রুহুল আমিন(৩৫)।সে মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী থানার পশ্চিম বেতকা গ্রামের আব্দুল মজিদ মিয়ার ছেলে। ঘটনার পর থেকেই রুহুল আমিন পলাতক রয়েছে। তিনি টঙ্গীর শিলমুন পশ্চিমপাড়া এলাকার জনৈক মজিবুর রহমানের ভাড়া বাড়ির ভাড়াটিয়া বলে জানা গেছে।
থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মো.এহতেশাম নির্যাতিতা ওই শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুরস্থ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রুহুল আমিন পেশায় একজন মুড়ি বিক্রেতা। নির্যাতিতা শিশুটি ওই এলাকার একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের সাথে বাস করতো। রুহুল আমিন শিশুটি নিয়ে পার্শবর্তী জনৈক মজিবুরের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে শিশুকে নিজ কক্ষে ময়লা পরিষ্কার করতে ডেকে নিয়ে যায় রুহুল আমিন ।পরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।পার্শ্ববর্তী ভাড়াটিয়ারা বিষয়টি জানতে পারলে রুহুল আমিন পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় প্রভাবশালী মতিউর রহমান মতি নামক এক ব্যক্তি ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সালিশের আয়োজন করেন।সালিশে নির্যাতিতা শিশুটির বাবাকে ১ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেবার আশ্বাস দেয়া হয়। এ ঘটনার এগারো দিন পর নির্যাতিতা শিশুটির বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন।
নির্যাতিতা শিশুটির বাবা বলেন, নির্যাতনের ঘটনার পর স্থানীয় মতিউর রহমান ওরফে কারেন্ট মতি ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আমাকে দেড় লাখ টাকা দেবার কথা জানায়। আমি টাকা না নিয়ে থানায় মামলা করেছি। এতে মতি আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে।
বিষয়টি জানতে মতিউর রহমান মতির মুঠোফোন যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন,এ ঘটনায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা করা হয়েছে।তবে সালিশ বসিয়ে টাকা লেনদেনের বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories