শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আফগানিস্তানে ভারী বর্ষণ-আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৩৯

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১১১ বার

আফগানিস্তানে ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৩৯ জনে পৌঁছেছে। দেশটির তিনটি প্রদেশে এ প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলীয় ফারাহ প্রদেশেই বন্যায় প্রাণ গেছে ২১ জনের।
বৃহস্পতিবার পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি এবং সংবাদমাধ্যম গালফ টুডে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আফগানিস্তানের তিনটি প্রদেশে সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা আরও ১০ জনে বেড়ে ৩৯ জনে পৌঁছেছে বলে বুধবার জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা।
এর মধ্যে গত মঙ্গলবার পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ ফারাহতে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয় এবং এতে ২১ জন প্রাণ হারান। এ ছাড়া শিলাবৃষ্টিতে বাড়ি ধসে পড়ার পর আরও তিনজন মারা যান।
নাসরুল্লাহ নামে ৫০ বছর বয়সী এক কৃষক বলেন, ভয়াবহ এই বন্যায় আমার সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। আমার খামার ও সমস্ত জমি প্লাবিত হয়ে গেছে।
মোহাম্মদ ইব্রাহিম নামে আরেক কৃষক বলেন, আমার ষাট বছরের জীবনে আমি এমন বাতাস, বৃষ্টি আর ঝড় দেখিনি। ঝড়টি এত শক্তিশালী ছিল যে বেড়াগুলো ৩০-৩৫ মিটার দূরে গিয়ে পড়েছে এবং কাঠের তৈরি সমস্ত কিছু উড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে হেলমান্দ প্রদেশে বজ্রপাতে এক শিশুসহ ছয়জন এবং কান্দাহার প্রদেশে নয়জন নিহত হয়েছেন। কর্মকর্তারা বলেছেন, মারাত্মক বৃষ্টিপাতের ফলে বন্যাকবলিত ফারাহসহ বেশ কয়েকটি প্রদেশে দীর্ঘমেয়াদী খরা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র আবদুল্লাহ জান সায়েক বলেন, বেশিরভাগ প্রদেশে অবিরাম বৃষ্টি ও তুষারপাত হচ্ছে, যা খরা কমিয়ে দিয়েছে। এটি পানির পরিকাঠামোকে সমৃদ্ধ করবে। কৃষি আরও উন্নত হবে এবং পশুসম্পদের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories