শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মধ্যরাতে কুয়েট শিক্ষার্থীদের বিবৃতি: আন্দোলন ব্যর্থ হতে দেবো না

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৭৫ বার

মধ্যরাতে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, তারা আন্দোলন ব্যর্থ হতে দেবেন না। কুয়েটের পাঁচ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ঐক্যবদ্ধ আছেন।
বিবৃতিতে কুয়েট শিক্ষার্থীরা আরও বলেছেন, বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট সরকার জুলাই আন্দোলন দমনে সকল স্বৈরাচারী অস্ত্র ব্যবহার করেও ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু জুলাই আন্দোলনের ছয় মাস পর কুয়েট প্রশাসন আবারো শিক্ষার্থীদের ওপর ওই একই স্বৈরাচারী অস্ত্র ব্যবহার করে ব্যর্থ হবেই হবে। কুয়েটের শিক্ষার্থীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা আন্দোলন আমরা কেউ ব্যর্থ হতে দেব না। আমাদের ভাইয়ের রক্তের হিসাব আমরা নিয়েই ছাড়ব।
বিবৃতির বাকী অংশ হুবহু দেওয়া হলো-
শিক্ষার্থীরা বলেছেন, কুয়েট প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ন্যায্য ও নৈতিক দাবির কাছে পরাজিত হয়ে গতকাল (২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) ১৫ ঘণ্টার মধ্যে হল ভ্যাকান্ট করার নোটিশ দিয়েছে। আমরা সেই ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই বলে এসেছি, আমাদের হল ভ্যাকান্ট করা যাবে না। তাই আমরা হল ভ্যাকান্ট-এর নোটিশ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছি। তবে, কুয়েট প্রশাসন হল ভ্যাকান্ট করার জন্য আজকে দুপুর থেকে আমাদের হলের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দিয়েছে, সকল প্রকার পানির লাইন অফ করে দিয়েছে। আমরা আশঙ্কা করছি। যেকোনো সময়, বিদ্যুতের লাইনও বন্ধ করে দেবে। অপরদিকে, কুয়েটের রেজিস্ট্রার, শিক্ষকবৃন্দ, মাসুদ স্যার একের পর এক মিথ্যাচার করে যাচ্ছে মিডিয়ার সামনে।
কুয়েট প্রশাসনের সার্বিক আচরণ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, জুলাই বিপ্লবে পতিত স্বৈরাচারের কথা। স্বৈরাচার যেমন ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্য ছাত্র-জনতার রক্ত নিয়ে খেলা করতে পিছপা হয়নি, তেমনই আজকে কুয়েট প্রশাসন আমাদের দেড় শতাধিক ভাইয়ের রক্তের সঙ্গে তামাশা করছে। পতিত স্বৈরাচারের মতো, আন্দোলন দমনের জন্য হল ভ্যাকান্ট করছে, তা না মানলে ওয়াইফাই, পানি বন্ধ করে অমানবিক আচরণ করছে।
কুয়েট প্রশাসন একের পর এক মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। কুয়েটের রেজিস্ট্রার বলেছেন, ছাত্রদের বাঁচাতে গিয়ে ২০-২৫ জন শিক্ষক আহত হয়েছেন। আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, আমাদের বাঁচানোর জন্য এগিয়ে গিয়ে আহত হয়েছিলেন শুধুমাত্র ২ জন শিক্ষক, প্রফেসর ডক্টর মো. আবদুল্লাহ ইলিয়াস স্যার এবং প্রফেসর ড. শেখ শরীফুল আলম স্যার। স্যারদের সঙ্গে আমরা সমব্যথী। কিন্তু রেজিস্ট্রারের কথা মতো যদি আজকে এত পরিমাণ শিক্ষকদের আমরা ১৮ তারিখ হামলার সময় পাশে পেতাম, তাহলে হয়তো আমাদের এত রক্ত ঝরত না। কুযেটের রেজিস্ট্রারের কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও প্রশাসনের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য, পতিত স্বৈরাচারের একটি ব্যর্থ কৌশল ছাড়া আর কিছুই না।
আপনারা গতকাল দেখেছেন, কীভাবে আমাদের শিক্ষার্থীদের ‘তোমার রেজাল্ট নেওয়া লাগবে না!’ বলে রেজাল্ট নিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে, কিভাবে আমাদের ‘তোমার আব্বা কী করে’ বলে পরিবার তুলে শাসানো হয়েছে, কিভাবে ‘শিক্ষকদের সঙ্গে বেয়াদবি’-এর মোড়কে আমাদের দেড় শতাধিক ভাইয়ের রক্তের ওপর পাড়া দিয়ে ন্যায্য আন্দোলনকে পিষে ফেলার স্বৈরাচারী অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।
মধ্যরাতে অজ্ঞাত স্থান থেকে সামাজিক মাধ্যমে এ বিবৃতি দেওয়া হয়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories