প্রায় সবারই মিষ্টি আলু পছন্দের। কেউ সবজি হিসেবে তরকারি করে খান, আবার কেউ বিভিন্ন মুখরোচক খাবারে সেদ্ধ করে দেন, কেউ আগুনে পুড়ে খেতে পছন্দ করেন মিষ্টি আলু। এ ক্ষেত্রে অনেককেই দেখা যায়, মিষ্টি আলু খোসা ছাড়িয়ে খান।
মিষ্টি আলুর খোসা হচ্ছে প্রকৃতির নিজস্ব এক ধরনের প্রতিরক্ষামূলক। এটি আলুর মাংসকে আর্দ্র ও সতেজই শুধু রাখে না; এটি প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে ভরপুর। কিন্তু এই খোসাই অনেকেই ফেলে দিন। এবার মিষ্টি আলুর খোসার উপকারিতা নিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে কথা বলেছেন হোলিস্টিক হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস কোচ ইশা লাল।
প্রিবায়োটিক ও ফাইবার: মিষ্টি আলুর খোসায় প্রচুর পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার রয়েছে। যা অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে পুষ্টি জোগাতে সহায়তা করে, হজমে সহায়তা করে এবং দীর্ঘ সময় আমাদের পেট ভরিয়ে রাখে। খোসা ছাড়ানো মিষ্টি আলুর তুলনায় একটি খোসাসহ মাঝারি আকারের মিষ্টি আলুতে প্রায় দ্বিগুণ ফাইবার থাকে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: খোসায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যেমন ফেনোলিক যৌগ ও ফ্ল্যাভোনয়েড, যা মুক্ত র্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। এ কারণে প্রদাহ হ্রাস পায় এবং স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
ভিটামিন বুস্ট: মিষ্টি আলুর খোসায় আলুর মাংসের তুলনায় ভিটামিন সি, ই বেশি থাকে। যা আমাদের ত্বকের স্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
খনিজ উপাদান: খোসায় ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান রয়েছে। যা হৃদরোগ ও পেশীর কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Leave a Reply