শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের উৎস মিয়ানমারে, সমাধানও সেখানেই: প্রধানমন্ত্রী দেশ মেরামতে সরকার থ্রি-আর কৌশল অনুসরণ করছে : প্রধানমন্ত্রী দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক-শেহবাজের প্রথম বৈঠক, সম্পর্ক নিয়ে যে বার্তা দিল পাকিস্তান জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় ৪ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘে খলিলুরের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান বিশ্বশান্তি ও মানবতার পক্ষে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন বিরোধী দল পালামেন্টে সুন্দর সুন্দর কথা বলেন বাইরে ৭১ রুপ ধারণ করে : শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সৌদি আরবের নিরাপত্তায় জরুরি বৈঠকে বসছে মক্কা জোট

গরমে টক দই কতটা কার্যকরী, কখন খেলে মিলবে উপকার, জানালেন পুষ্টিবিদ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৭৩ বার

চলছে ফাল্গুন মাস। ভোররাতে অল্প শীত অনুভব হলেও দিনভর কিন্তু বেশ গরমের তেজ থাকে। এ থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, গ্রীষ্মকাল আসছে। তবে এখনই যেহেতু গরমের আঁচ অনুভব করা যায়, তাই ভোগান্তি কিন্তু বাড়া শুরু করেছে। এরইমধ্যে অনেকেই ঘাম ঝরা ও ক্লান্তি দূর রোধে পকেটে স্যালাইন রাখছেন। কেউ কেউ আবার গরম যেন কম লাগে, সেই ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
এদিকে গরমে সুস্থ থাকতে কেউ কেউ আবার খাদ্যতালিকায় দৃষ্টি রাখেন। এ ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকে টক দই। দই সাধারণত উপকারী হলেও মাঝে মধ্যেই দেখা যায়, এর স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে প্রশ্ন করেন অনেকে। টক দই কতটা স্বাস্থ্যকর, কখন খেলে উপকার মিলবে―তা নিয়েই ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন পুষ্টিবিদ পল্লবী চট্টোপাধ্যায়। এবার তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক।
পুষ্টির উৎস: টক দই হচ্ছে প্রোবায়োটিক খাবার। শরীর সুস্থ রাখার জন্য এ দইয়ের বিকল্প নেই। এতে প্রোটিন, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, রিবোফ্লাবিন, ফসফরাস, জিঙ্ক, সেলেনিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে। আর সবগুলো উপাদানই শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে থাকে।
পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে: টক দইয়ে যেহেতু প্রোটিন রয়েছে, তাই এটি খাওয়ার ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি থাকে। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। পেট ভর্তি থাকলে শরীরে কর্টিসেল হরমোন কম পরিমাণ নির্গত হয়। ফলে স্ট্রেস কমে এবং স্বাস্থ্য বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। এ দই খাওয়ার ফলে হজম প্রক্রিয়া ভালো থাকে। অন্ত্রের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। পাচনতন্ত্র শক্তিশালী হয়। টক দইয়ে বির্দ্যমান ফার্মেন্টেড এনজাইম হজমজনিত জটিলতা দূর করে। আর এই প্রোবায়োটিক খাবার পরিপাকতন্ত্রকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ লিভার সুস্থ রাখে।
ক্রনিক অসুখের ঝুঁকি হ্রাস করে: টক দইয়ে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শারীরিক বিভিন্ন প্রদাহ কমায়। নিয়মিত টক দই খাওয়ার ফলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানো এবং পেটের যেকোনো সমস্যা সহজেই দূর হয়।
কখন দই খাওয়া উচিত: অনেকেই আছেন যারা দুধ সহ্য করতে পারেন না, যারা ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট তারা টক দই খেতে পারেন। এ দই অনেক বেশি সহজপাচ্য। কিন্তু কখন দই খেতে হবে, তা নিয়েই যত সন্দেহ। অনেকেই মনে করেন সকালে টক দই খাওয়া ভালো। কারও ধারণা, বিকেলের পর খেলেও কোনো ক্ষতি নেই। কিন্তু প্রকৃত অর্থে সকালে হালকা খাবার বা নাশতার পর টক দই খাওয়া ভালো। এতে ঠান্ডা থাকে পেট।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories