শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় পঞ্চাশোর্ধ্ব তকু

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৬৭ বার

ভিন্নরকম এক পরীক্ষার্থী দেখা গেল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভর্তি পরীক্ষায়। চুল দাঁড়ি পেকে যাওয়া পঞ্চাশের বেশি বয়সেও যিনি এখনো স্বপ্ন দেখেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। এই বয়স ও শারীরিক অসুস্থতা দমাতে পারেনি তাকে।
অদম্য ভর্তিচ্ছু এই পরীক্ষার্থীর নাম তৌহিদুর রহমান তকু। দীর্ঘদিন অসুস্থতার পর সুস্থ হয়ে ফের পরীক্ষায় বসেছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব এই ব্যক্তি। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের কলা ও আইন অনুষদের ‘বি’ ইউনিটের প্রথম শিফটে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসেছেন তকু নামে এই শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, তৌহিদুর রহমান তকু এনায়েতপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২০২২ সালে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৪.৬৩ এবং ২০২৪ সালে গয়ড়া তেঁতুলিয়া ডি. এম ফাজিল মাদ্রাসা থেকে জিপিএ ৪.৬৪ পেয়ে আলিম পাস করেন। তবে তৌহিদুরের দাখিল ও আলিম পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ডে দেখা যায় তার জন্ম তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০০৫। কিন্তু আসলেই তার সঠিক বয়স কত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তৌহিদুর রহমান জানান, তার বাড়ি নওগাঁ জেলায়। জেলার সরকারি কে. ডি স্কুলে মাধ্যমিক পড়াশোনা করেছেন। অসুস্থতার পরে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেডিসি, দাখিল এবং আলিম পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করেন।
তৌহিদুর বলেন, আমি ১৯৮৯ সালে অসুস্থ হয়ে পড়ি। ২০১৪-১৫ সালে সুস্থ হয়ে পড়াশোনা শুরু করি। ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিতে চাইলেও আবারও মাদকাসক্ত সেন্টারে প্রেরণ করা হয়। ২০১৯ সালে পুনরায় পড়াশুনা শুরু করে কন্টিনিউ করে আসছি। তিনি আরও বলেন, আমার ইংরেজি প্রস্তুতি তেমন ভালো না। তারপরও চেষ্টা করবো, যদি এবছর জগন্নাথে চান্স না হয়, আগামী বছর রাবি, জাবিতে পরীক্ষা দিয়ে চান্স নিবোই ইনশাআল্লাহ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন পরীক্ষা দিতে তার আইনগতভাবে কোনো বাঁধা নেই, তবে সে কোনো অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছে কি না সেটা পরবর্তীতে খতিয়ে দেখা হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories